চিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মামলার ঘোষণা

0
143

অভিজিৎ হাজরা:- চিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মামলা করবে ৮৫টি দেশ। বর্তমানে প্রায় ১৩৫ টির বেশী দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে। করোনা বাদুর কিংবা খাদ্যাভাস থেকে ছড়ায়নি, এটা চিনের জৈব রাসায়নিক অস্ত্র। চিনের রাসায়নিক ল্যাবরেটরি থেকে ইচ্ছা করে চীন সমগ্র পৃথিবীতে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। এমনি চিনের কাছে এর প্রতিষেধক ও রয়েছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক অপরাধে মানবাধিকার লঙ্ঘণ এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং বিশ্বব্যাপী গণহত্যা। জৈব রাসায়নিক অস্ত্রের নেতিবাচক ব্যবহার হিসাবে চীনের বিরুদ্ধে মোট ৮৫ টি দেশ মামলা করার ঘোষণা করেছে।

চিন চাইছে আগামী ২০৩০ সাল থেকে সারা বিশ্বে তারা নেতৃত্ব দেবে, সেজন্যই তারা জৈব রাসায়নিক অস্ত্র হিসাবে বিভিন্ন ভাইরাসের চাষ করে আসছিল তাদের ল্যাবে। করোনা তার ভিতরে অন্যতম। চিন করোনা ভাইরাসের ধ্বংস লীলার পরীক্ষা নিলো এবং পরিপূর্ণ ভাবে সফল হল।

একমাত্র উত্তর কোরিয়া ছাড়া কোনো দেশই চিনদের ষড়যন্ত্র বুঝতে পারলো না। উত্তর কোরিয়া আক্রান্ত ১১ জনকে গুলি করে হত্যা করে দেশকে করোনা মুক্ত রাখছে, এবং বিশেষ গবেষণা করে জানতে পারলো এটা খাদ্যাভাসের কারণে হয়নি।তাই কিম জং উন প্রথমেই চিনের বিরুদ্ধে মামলার ঘোষণা করেছে। এরপর ৮৪ টি দেশ তাদের সাথে যুক্ত হয়েছে। চীন খুব দ্রুত করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাচ্ছে। একেরপর এক অস্থায়ী হাসপাতাল বন্ধ করছে। উহানে নতুন করে মাত্র এক জনের সংক্রমণ ঘটেছে। গোটা চিনে মাত্র ১৩ জন, অবাক হতে হয় এটা কি করে সম্ভব। আর একটু অবাক হতে হয় যখন একের পর এক বিদেশি মিডিয়া ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউইয়র্ক টাইমস, দ্যা গাডিয়ান সহ আরো অনেক দেশের মিডিয়াকে দেশ থেকে বের করে দিচ্ছে যাতে তারা চীনের কোনো খবরই না করতে পারে।

অন্য দিকে ইতালি, ব্রিটেন,ফ্রান্স, আমেরিকা, ইরান ক্রমশঃ ভয়াবহ স্টেজে পৌঁছেছে। আমেরিকা, ইউরোপের স্টক মার্কেট ও ক্র্যাশ করে গেছে। বিশ্ব জুড়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। অথচ একটু চাইনিজ মিডিয়াগুলো ফলো করলে দেখা যাচ্ছে দারুন দৃশ্য, সবাই মাস্ক খুলে ফেলছে, একে অপরকে জড়িয়ে ধরছে, ওয়েলকাম করছে সবার সাথে। এত বড়ো ক্রাইসিস অথচ এত ফাস্ট রিকভারি? শেয়ার মার্কেট থেকে কারেন্সি ড্রপ কোনো কিছুতেই আঘাত লাগলো না। এতোই উন্নত ষোলো খানা হাসপাতাল রাতারাতি তৈরী হয়ে গেলো। এসবের জন্য আগে থেকেই প্রিপারেশন নিয়ে রেখেছিল। ২০০০০০ করোনা ভাইরাস ইনফেক্টেড থেকে ০ ইনফেক্টেড। সব হাসপাতাল উবে গেল। সবাই আনন্দে মাতোয়ারা। প্রেসিডেন্ট কি সুন্দর মৌনব্রত পালন করল। চিন নিজের ঘর কিছুটা পুড়িয়ে বিশ্বকে ভয়ানক বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে নিজে অধীশ্বর হবার চক্রান্ত। যদি চীনাদের লাইফস্টাইল বা খাদ্যাভাস দেখা যায় তাহলে খুব সহজেই বোঝা যায় যে তারা কতটা নিষ্ঠুর, কতটা হিংস্র। তারা পারে না এমন কোনো কাজ নেই।

যদি সত্যিই বিশ্বের অধীশ্বর হবার জন্য এই ভাইরাসকে চীন হাতিয়ার করে তাহলে অবাক হবার কিছু থাকবে না। সত্যিটা হয়তো খুব তাড়াতাড়ি বের হবে, কিন্তু তখন বিশ্বের মেরুদন্ড থাকবে চিনের সামনে দাঁড়ানোর জন্য।
এখনই উচিত গোটা বিশ্বের এক হওয়া, চিনকে বিশ্ব জুড়ে বয়কট করা। বিশ্বের সমস্ত দেশের আর্থিক ক্ষতির উসুল করার জন্য চীনকে অর্থনৈতিক অবরোধ এর আওতায় আনা। এমনই অভিমত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের।

সূত্র:- রয়টার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one × one =