সংবাদদাতা, বসিরহাটঃ- নদীর চরে শংসাপত্র ছাড়াই দাহ হয়ে যায় মরদেহ। এমনি দৃশ্য দেখা গেল হাসনাবাদ ব্লকের বরুনহাট লস্কর পাড়া শ্মশান ঘাট। সীমান্তবর্তী কালিন্দী নদী ঘেষা এই শ্মশান ঘাটেতে দীর্ঘদিন ধরেই এই ভাবেই মরদেহ দাহ করে আসছে এলাকার বাসিন্দারা। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী নদীয়া জেলার হাঁসখালির নবম শ্রেণীর ছাত্রী শংসাপত্র ছাড়াই পুড়িয়ে ফেলার ঘটনাকে রাজ্যজুড়ে যে সমস্ত শ্মশান ঘাট গুলি আছে শংসাপত্র ছাড়া পোড়ানো হয় প্রশ্ন চিহ্ন তুলে দিয়েছে।

তাই অবিলম্বে এলাকাবাসীর দাবি, এই সমস্ত শ্মশান ঘাট গুলিতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হোক। এই বিষয়ে বরুনহাটের বাসিন্দা রাজেশ লস্কর জানান, হাঁসখালি ধর্ষিত ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে যে প্রশ্ন উঠেছে খোলা শ্মশান গুলি আছে শংসাপত্র ছাড়া মরাদেহ পড়ানো হয়। তা অবিলম্বে বন্ধ হোক। এবং প্রশাসনের নজরদারি ও সংশয় পত্র নিয়ে মরদেহ দাহ করা যেন হয়।

এই বিষয়ে হাসনাবাদ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি এসকেন্দের গাজী জানান, এই বিষয়ে পঞ্চায়েত সমিতি পক্ষ থেকে একটি আলোচনা করা হয়েছে। যে সমস্ত এলাকায় এই ধরনের শ্মশান আছে সেই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যরা যেন নজর রাখে কে বা কারা শ্মশানে এসে মরদেহ দাহ করছে।