নিজস্ব সংবাদদাতা :- সুন্দরবন বাসীর আকাঙ্ক্ষিত হাসনাবাদ বনবিবি সেতু হওয়ার পরেও যাতায়াতের ভোগান্তি দূর হলো না রাজনৈতিক টানাপোড়েনের। সাধারণ মানুষ ও পরিবহন শিল্পী জড়িত মানুষ দিশেহারা। মাইকিং প্রচার ও প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গত ভোটে বিধায়ক দেবেশ মন্ডল এবং বিধায়ক দিব্যেন্দু বিশ্বাস এর ভোটের বাক্সে ভোট পড়ার আশায় বন্ধ হয়ে গেল সাধারণ মানুষের যাতায়াতের। সুন্দরবন বাসির দীর্ঘদিনের দাবি ছিল হাসনাবাদ ব্রিজ পাশাপাশি গাড়ি করে কলকাতায় যাতায়াতের একমাত্র হাসনাবাদ রেল স্টেশনে পৌঁছানোর তা আজ আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের ন্যায় সুন্দরবন বাসীর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন পশ্চিমবঙ্গবাসীর উন্নয়নের জন্য এগিয়ে চলেছে তখনই বনবিবি সেতু সুন্দরবন বাসীর কাছে অভিশাপ রূপে দাঁড়িয়েছে বলে জানান। কারণ হিসেবে সুন্দরবন বাসী জানান, যে নদী পার হয়ে যেতাম মাত্র দু টাকার বিনিময় আর আজ ব্রিজ হওয়ার পর যেতে হচ্ছে ১০ টাকা খরচ করে যা আজকের অর্থনৈতিকভাবে সুন্দরবন বাসীকে অনেকটা দৈনন্দিন জীবনে ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমত অবস্থায় হাসনাবাদ লেবুখালী, হাসনাবাদ শীতলিয়া ও হাসনাবাদ বায়লানীরুটের গাড়ি চালক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আক্ষেপের সুর বর্তমান প্রশাসনের ও রাজনৈতিক কর্তা ব্যক্তির উপর পড়ায় আগামী দিনে এই সমস্ত রুটের গন্ডগোল ও অশান্তির দিকে যাচ্ছে বলে অভিমত গাড়িচালক ও সাধারন জনগনের কথাতে পরিষ্কার। সাধারণ মানুষ ও গাড়ি চালকদের দাবি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ এর মধ্য দিয়ে দ্রুত সমাধান।