নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁঃ- আজ দুপুরে “পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য স্বয়ংসেবক অভিযান” কর্মসূচি পালনে বনগাঁয় বিজেপির সাংগঠনিক জেলা অফিসে স্থানীয় কার্যকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে করলেন বিজেপির রাজ্য নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, প্রত্যেকটি বুথে দুই থেকে তিনজন হেলথ ভলান্টিয়ার তৈরি করা হবে। তাদের কাজ হবে বুথের বসবাসকারী নাগরিক ও ভোটারদের করোনা সম্পর্কে অবহিত করা। টিকাকরণের ব্যাপারে তাদেরকে জানানো এবং নাগরিকদের সুবিধা অসুবিধায় তাদের পাশে থাকা। সব বুথে আমাদের লোকেরা হেলথ ভলান্টিয়ার স্কিম চালু করবে। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে এই পরিকল্পনা।

তৃণমূলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই কার্যক্রমে আমরা আশা করবো তৃণমূলই সন্ত্রাস এসে না পৌঁছায়। রাজ্যে টিকা চুরি চলবে, জাল টিকা চলবে, মানুষকে বিপদে ফেলা চলবে অথচ তারা যেন না বলে বিজেপির হেলথ ভলান্টিয়ার চলবে না।

বিরোধী দলগুলির জোটকে সোনার, পাথর বাটি ও বিরোধী কাঁঠালের আমসত্ত্বর সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, এটা স্বপ্নই থেকে যাবে। এরমধ্যে সত্যিই কি কোনো সত্যতা আছে? তৃণমূলের একটি শক্তিশালী গ্রুপ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে দিল্লিতে পাঠানোর জন্য উদগ্রীব হয়ে পরেছে। তাকে বিরোধীদলের সমন্বয় করার জন্য দেখতে বলছেন। কারণ তারা মনে করছে মুখ্যমন্ত্রীকে এই দায়িত্ব দিয়ে বাংলার মসনদে তাদের লোককে বসাবে।

উপ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১০০ টার বেশি পুরসভার নির্বাচন বছরের পর বছর করায়নি সরকার। সেইগুলো যদি করোনার জন্য সম্ভব না হয়, তাহলে এখানকার পার্টি কিভাবে বলছে এখন বাংলায় নির্বাচন করা সম্ভব। কবে ভোট করবে, কি করবে এটা নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার।

জয় প্রকাশের সাংবাদিক বৈঠক প্রসঙ্গে বনগাঁর তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগণার জেলা কো-অর্ডিনেটর গোপাল শেঠ বলেন, ‘জয়প্রকাশ মজুমদার বিজেপির একটি ভার, ওর কথার কোনো গুরুত্ব নেই। আমরাও ওকে নেতা বলেই মনে করি না। ওর সঙ্গে কোন এমএলএ এমপি নেই। হেলথ ভলান্টিয়ার প্রসঙ্গে বলেন, স্বাস্থ্য দপ্তর বরাবরই সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। কোন জনপ্রতিনিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না৷ হিমালয় থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আগামী দিনে দেশে সরকার হবে।