সুজয় মন্ডল, বসিরহাট :- রয়েছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, কিন্তু নেই কোনো অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ঘর। ঘটনাটি স্বরূপনগর ব্লকের সাড়াপুল নির্মাণ গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাকবাংলো সংলগ্ন ৩৩৫ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি একেবারে মেইন রোডের ধারে ওই অঙ্গনারী কেন্দ্রের শিশুদের যাতায়াতের সময় যে কোন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এই আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে ৷ তাছাড়া এই কেন্দ্রটির নিজস্ব কোন জায়গা নেই, একজন সহায়িকা এবং একজন কর্মী বর্তমান এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কাজ করেন। এই শিশু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বর্তমানে ৬২ জন শিশুসহ ৫ জন গর্ভবতী মা ও ৫ জনপ্রসূতি মহিলা নিয়মিত এই পরিষেবা পেয়ে থাকেন ৷ কিন্তু তাদের কোন বসার জায়গা নেই।

তাদের প্রতিদিন যে খিচুড়ি বা শুকনো খাবার দেওয়া হয় সেটা খাওয়ার পর কোন পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই, নেই কোন শৌচালয় ৷দীর্ঘ দিনের পুরনো একটি জরাজীর্ণ পি ডব্লিউ ডি’র অফিস ছিল ,সেখানেই শিশুদের নিয়ে অঙ্গনারী কর্মী ও সহায়িকারা পঠন পাঠন সহ অন্যান্য কাজকর্ম পরিষেবা চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ। তাই ওই অঙ্গনারী কেন্দ্রে যে সমস্ত শিশু এবং প্রসূতি মায়েরা পরিষেবা পেয়ে থাকেন তাদের বাড়ির গার্জেনরা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের অস্থায়ী ঘর ও পানীয় জল শৌচালয় স্থানীয় ভাবে প্রশাসনের কাছে পরিষেবার ও নিরাপদ ভাবে পঠন পাঠন চালিয়ে যেতে পারে সেই দাবি দাবা করেছেন। যত শীঘ্র সম্ভব স্থানীয় পঞ্চায়েত বা পঞ্চায়েত সমিতির হস্তক্ষেপে দাবি করেন স্থানীয় অভিভাবকরা। অন্যথায় যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় সড় কোনো দুর্ঘটনা। এই বিষয়ে নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দার সৈয়দ মিজানুর হাবিব বলেন সত্যিই দীর্ঘদিন ধরেই এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বাচ্চাদের দুর্দশা দেখে ভীষণ কষ্ট পাই কিন্তু কি করবো বলুন প্রশাসনের উদাসীনতা বাচ্চাদের দুর্ঘটনা ও জীবনের হানি দিকে ঠেলে দিচ্ছে ,একটা পরিত্যক্ত ঘর সেখানে রান্নাবান্না চলছে এই সমস্ত অঙ্গনারী কর্মীদের যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে সবকিছু দেখেও দেখছেন না স্থানীয় প্রশাসন তাই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো এই শিশু ও প্রসূতি মায়ের দিকে তাকিয়ে যেন স্থায়ী ঘরের ব্যবস্থা করে। এই বিষয় নিয়ে অঙ্গনারী দায়িত্ব থাকা সিডিপিও সন্দীপ সাহা বলেন দীর্ঘদিন ধরে পি ডব্লিউ ডি জায়গায় অঙ্গনারী স্কুলটি চলছে যেহেতু ওই জায়গার কাছাকাছি বিকল্প জমির ব্যবস্থা না থাকার কারণেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে তাই যত দ্রুত সম্ভব বিকল্প জমির খোঁজ করছি আমরা খুব শিগগিরই ওই স্থানের সরকারি যে সমস্ত জমি পড়ে আছে সেইখানে অঙ্গনারী কেন্দ্র করে দেওয়া যায় কিনা সেইদিকে স্থানীয় পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির আলোচনা করে এই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eight − five =