সানওয়ার হোসেন, পাথর প্রতিমা :- ঘটনা সূত্রে জানা যায় আজ সকাল ৬টা নাগাদ এক যুবক স্বাভাবিকভাবেই পাথরপ্রতিমা থানায় ঢুকে কর্তব্যরত অধিকারীর কাছে জানতে চায় বড়বাবু কোথায় আমি দেখা করতে চাই অফিসার বলেন কী দরকার? অভিযুক্ত অভিজিৎ দাস বলেন আমি আমার স্ত্রীর মুন্ডু কেটে নিয়ে আপনার থানায় এসেছি আমাকে এ্যারেস্ট করুন অফিসার তার কথা শুনে অবাক হয়ে যান। তখন এই ছেলেটিকে বসতে বলে। স্বাভাবিকভাবে পিছনে থাকা স্কুল ব্যাগ থেকে তার স্ত্রীর মুন্ডু বার করে অফিসার কে দেখান হইচই পড়ে যায় থানার মধ্যে। জানা যায় লক্ষ্মী জনার্দন পুর গ্রাম পঞ্চায়েত ১৩১ নং বুথের অভিজিৎ দাস (৩১) আজ ভোরে তার স্ত্রী অম্বা দাসের হাত, পা, মুখ বেঁধে হাসুয়া দিয়ে কোপ দিয়ে মুন্ডু কেটে নেয়, মুন্ডুটি স্কুল ব্যাগে ঢুকিয়ে থানায় নিয়ে সে আত্মসমর্পণ করে, তাদের সাড়ে তিন বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে। পাথরপ্রতিমা পুলিশ তড়িঘড়ি ধটনাস্থলে পৌঁছায় তখনো পর্যন্ত এলাকার লোক জানতই না, এলাকায় এতো বড় কান্ড ঘটে গেছে বিশাল পুলিশবাহিনী যাবার পরে এলাকার মানুষ জানতে পারে। মেয়েটির বাবার অভিযোগ তার বড় মেয়ের সঙ্গে অভিজিৎ দাসের বিয়ে হয় প্রায় ছয় বছর পূর্বে। জামাই মাঝেমধ্যে মেয়ের উপর অত্যাচার করত। কর্মসূত্রে তোরা সবাই দিল্লিতে কাজ করে। আগামী দিন মৃতার বোনের বিয়ে রয়েছে। অভিজিতের শশুর অভিজিৎকে ৯০ হাজার টাকা দিয়ে রেখেছিল আজ সেই টাকা নিয়ে মেয়ে জামাইয়ের শ্বশুরবাড়ি যাবার কথা ছিল। কাল থেকে বারবার ফোন করার পর জামাই মেয়ে কেউ ফোন তুলছে না দেখে আর শশুর নিজের জামাইয়ের বাড়িতে আসে এসে দেখে বাড়ির পাশের মাঠে রক্ত এলাকার মানুষকে জিজ্ঞেস করতে কেউ কোনো উত্তর দিতে পারেনি কিছুক্ষণ মধ্যে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ পৌঁছায় পুলিশ গিয়ে ঘটনা বলে তার জামাই মেয়ের মাথা কেটে থানায় আত্মসমর্পণ করেছে এই বিষয়ে পরিবারের শশুর শাশুড়ি ননদ জামাই এর নামে থানায় এফআইআর করা হয়েছে। মৃত দেহটি ময়না তদন্তে পাঠানো হয় এবং আত্মসমর্পন কারিকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে কি কারণে এতবড়ো ঘটনা টা এখনও স্পষ্ট নয়।