অলোক আচার্য, মধ্যমগ্রাম :- শারদীয়া দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্ন হল মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা। ভোররাতে আকাশবাণীতে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে স্তোত্রপাঠের সঙ্গে সঙ্গে বুকের মাঝে যেন বেজে ওঠে আগমনির সুর। মহালয়ার পুন্যতিথিতে সুর,তাল ও ছন্দের মূচ্ছর্নায় নিউ বারাকপুরের বহুমুখী সুপরিচিত সংগীত প্রতিষ্ঠান সুরস্পন্দনের পরিচালনায় শনিবার সন্ধ্যায় মধ্যমগ্রাম নজরুল স্মারক মুক্তাঙ্গন মঞ্চে অনুষ্ঠিত হল ভগবতীর আবাহন বন্দনায় শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তৎসহ চন্ডীপাঠ। শুরুতে দেবী দুর্গার আবাহন বন্দনার নৃত্য সহযোগে সংগীত বাজল তোমার আলোর বেণু,জাগো তুমি জাগো,হে চিন্ময়ী,নমো চন্ডী শিক্ষার্থীদের উপস্হাপনা ছিল বেশ ভালো। তৎসহ কানাই লাল পালের সংস্কৃত শ্লোক উচ্চারনে চন্ডীপাঠ ছিল সাবলিল। নৃত্য পরিচালনায় স্বাতী জানার পরিবেশন ও বাচনভঙ্গি প্রশংসনীয়।আমার দুর্গা (আবৃত্তি ) তৎসহ বন্দে মাতরম্‌। আগমনী। প্রাচীন লোকসঙ্গীত বাবুদের দুগ্গি পূজা। আধুনিক ঢাক বাজা কাশর বাজা,দুর্গে দুর্গে দুর্গতি নাশিনী। ছোটদের গান। গীতি আলেখ্য। ছায়াছবির গান ঢাকের তালে। রবীন্দ্র সংগীত আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে গান গুলি বেশ উপভোগ্য। গান,শ্লোক আবৃত্তি স্তোত্রপাঠ সব যেন এক সুধা রসের ধারা। সংস্কৃত শ্লোক সুরে পাঠ। অভিনব ভাষ্যে গানে গীতিরুপ সুর মুচ্ছর্নায় মনোজ্ঞ হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সংগীত ও নৃত্য ছিল বেশ সাবলীল। সমগ্র অনুষ্ঠানটির ভাবনায় পরিকল্পনায় পরিচালনায় ও সঞ্চালনায় ছিলেন সুরস্পন্দন সংগীত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষা প্রথতিযশা সংগীত শিল্পী তানিয়া দাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী কমলেশ সাহা,চিকিৎসক ডা:বরুন ব্রহ্ম,নিরজ্ঞন বন্দ্যোপাধ্যায়,ধীরাজ সাহা,গৌতম মজুমদার,অনির্বান চৌধুরী প্রমুখ। দুঃস্থ অসহায় মানুষের হাতে প্রীতি উপহার স্বরুপ বস্ত্রপ্রদান করা হয় এদিন মঞ্চে। দর্শকদের উপস্হিতী ছিল লক্ষ্যনীয়।