অলোক আচার্য, নববারাকপুরঃ- শুধু ফুল মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানালে হবে না। পরের প্রজন্মের কাছে তার পরের প্রজন্মের কাছে কবির জীবনাদর্শ ভাবনা জানাতে হবে বুঝাতে হবে। নিজেরা সচেতন করি তিনি কিভাবে এগিয়ে গিয়েছিলেন চলার পথ গোটা বাংলায় কি পরিবেশ তৈরি করেছিলেন সেটা অনুধাবন করে সেইভাবে পরের প্রজন্মের কাছে বেশি করে পৌঁছে দিতে হবে। তিনি দেশটাকে কিভাবে চালাতে চেয়েছিলেন। সবার মধ্যে কবি বেঁচে থাকবেন। তার লেখনী কতটা শক্তিশালী ছিল অনুধাবন করতে হবে। তার জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাতে স্মরণ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান কবিতা নাচ হচ্ছে। সবই কবির রচনা। অনেককিছু শেখার আছে। শিক্ষা নেওয়ার ও দেবার ব্যাপার রয়েছে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে। জালিয়ান ওয়ালাবাগ বঙ্গ ভঙ্গ আন্দোলনে কবির অবদান অনস্বীকার্য।

রবিবার সন্ধ্যায় নববারাকপুর রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন কমিটি আয়োজিত গুরু প্রণাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কথা গুলি বলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। নববারাকপুর পুরসভার বিবেকানন্দ ক্রীড়াঙ্গনে গুরুপ্রণাম অনুষ্ঠানে মন্ত্রী উপস্থিত হয়ে কবিগুরুর প্রতিচ্ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এরপর মঞ্চে মঙ্গলদ্বীপ প্রজ্বলন করে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন। মন্ত্রীকে ফুলের তোড়া এবং রবীন্দ্র স্মারক তুলে দেন উৎসব কমিটির আহ্বায়ক সমাজসেবী মৃদুলা সাহা।

মন্ত্রী উদ্বোধনী রবীন্দ্র সংগীতে নিজে গলা মেলান এ মনিহার আমায়…। স্থানীয় বিভিন্ন শিল্পী কলাকুশলিরা ও সংস্কৃতি সংগঠনের শিল্পী একক ও সমবেত সংগীত আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করেন এদিন সুদৃশ্য মঞ্চে। বিশেষ আকর্ষণ প্রথতিযশা সংগীত শিল্পী পপ গায়িকা সোমলতা আচার্য চৌধুরীর সুরেলা কন্ঠে একক সংগীত দর্শকদের মুগ্ধ করে এদিন রাত পর্যন্ত। শিল্পী সোমলতা তার নিজের অ্যালবাম ও গান শ্রোতাদের মন জয় করলেন।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন পুরসভার পুরপ্রধান প্রবীর সাহা, উপ পুরপ্রধান স্বপ্না বিশ্বাস, প্রাক্তন পুরপিতা সুখেন মজুমদার, পুরদলনেতা ডাঃ পংকজ কুমার অধিকারী, সমাজসেবী তপন দাস সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গন ও বিশিষ্ট গুণীজনরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন বাচিক শিল্পী রানা গাঙ্গুলী, শিক্ষিক অম্লান দাশগুপ্ত, শুভাশীষ সরকার।

শুরুতে নববারাকপুরের রুপকার কর্মবীর হরিপদ বিশ্বাস, স্বামী বিবেকানন্দ ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিচ্ছবিতে মালা ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান পুরসভার পুরপ্রধান, উপ পুরপ্রধান সহ বিশিষ্ট গুণীজনেরা। উল্লেখ্য মহিলাদের সংগঠন রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সমাজসেবী মৃদুলা সাহা স্বাগত ভাষণ দেন।