অলোক আচার্য, ক্যানিংঃ- রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনের গোসাবা বিধানসভা কেন্দ্রের মসজিদবাটী হাইস্কুল প্রাঙ্গণে মসজিদবাটী অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে এক রাজনৈতিক সম্মেলনের আয়োজন হয়। এদিনের সম্মেলনে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ তথা বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায় শুভেন্দু অধিকারীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন মমতা চ্যালেঞ্জ করছে। মমতা বলেছে তিনি নিজেই নন্দীগ্রামে দাঁড়াবেন। শুভেন্দু যদি বাপের বেটা হয়, মমতার বিরুদ্ধে এসে নন্দীগ্রামে দাঁড়ান, জিতে দেখান। বাংলা আবার নতুন দিন পাবে।বিজেপি কতদিন ধরে যে চেষ্টা করছে, টাকা খরচ করছে, বিশ্বাসঘাতকদের নিয়ে সেটা সফল হবে না। বাংলায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের আশীর্বাদে।

তিনি আরও বলেন, এই আমফানের সময় এতো ক্ষতি হয়েছে,কিন্তু আমরা কেন্দ্র থেকে টাকা পায়নি।তাই আমফানের চাল সবাইকে দেওয়া হয়েছে। কোথাও যদি অন্যায় হয়ে থাকে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। তাই বলছি যে লড়াইটা করে, লড়াইটা বাংলার মানুষের। তারা তাদের মেয়েকে করবে। আর ওরা সব বাইরের লোক। বাংলা বোঝে না, বাংলা পড়ে না, এই লড়াইটা হচ্ছে বাঙালি বনাম বহিরাগত। আপনারা কার পক্ষে? বাঙালির পক্ষে তো! আমরা বাংলা বলি, বাংলায় কথা বলি।’ মোদের গড়ন, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা’। মোদি সে এখন বাঙালী হওয়ার চেষ্টা করছে। দাঁড়ি রাখছে,বলছে আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হব।রবীন্দ্রনাথের মতন বড়ো দাঁড়ি। আমরা বলছি ওটা রবীন্দ্রনাথ নয়, মোদি হচ্ছে ঠগেন্দ্রনাথ ঠাকুর, মানুষকে ঠকাচ্ছে ও জন্মে হতে পারবে না।

সাংসদ সৌগত রায় বলেন, নাড্ডা ফাড্ডা ওরা এসে বলছে রবীন্দ্রনাথের জন্ম শান্তি নিকেতনে।আমরা বলছি না, রবীন্দ্রনাথের জন্ম কলকাতায়।এটা নাড্ডাদের জানা দরকার। কিন্তু ওরা জানে না। এই লড়াইটা বাংলায় শুরু হয়েছে। মোদি বলে ছিলেন ২ কোটি বেকারের চাকুরী দেবে, দেয়নি বরং করোনা ভাইরাস অতি মহামারী লকডাউনে ৪ কোটি মানুষ কাজ হারিয়েছে।

এদিনের তৃণমূলের রাজনৈতিক সম্মেলনে ভিড় চোখে পড়ার মতন। এদিনের সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গোসাবা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর, জেলা পরিষদের সদস্য অনিমেষ মন্ডল, মসজিদবাটী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপ প্রধান পঞ্চায়েত সদস্য প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

twenty − thirteen =