রাজেন্দ্র নাথ দত্ত, মুর্শিদাবাদঃ- ‘দুয়ারে সরকার’ -এর শিবিরে ভিড় কমাতে শিবিরের দ্বিতীয় দিনেই সাফল্য পেলো মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি মহকুমার খড়গ্রাম থানার বালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দুয়ারে সরকার শিবিরের দ্বিতীয় দিনেই। মুর্শিদাবাদ জেলার অন্যান্য শিবিরের ভিড় দেখে কিছু নয়া পদক্ষেপ করে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। তার মধ্যে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে মূল শিবিরের সঙ্গে একাধিক অতিরিক্ত শিবির আয়োজনে। মূল শিবির এবং অতিরিক্ত শিবির এমন ভাবে করতে হবে, যাতে কোনও শিবিরে হাজিরা মোটের উপরে দেড় হাজার না ছাড়ায়। কোভিড-বিধির স্বার্থেই নয়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান পঞ্চায়েত প্রধান গোকুল ঘোষ।

তিনি আরও বলেন সব পঞ্চায়েতেই যে শিবিরের সংখ্যা বাড়াতে হবে, তার কোনও মানে নেই। অনেক ছোট পঞ্চায়েত আছে, সেখানে হয়তো মূল শিবিরের সঙ্গে একটি অতিরিক্ত শিবির করলেই চলবে। আবার বড় পঞ্চায়েতে এই সংখ্যা বাড়তে পারে। কোভিড নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ভিড় কমানোই হবে লক্ষ্য । ১৬ অগস্ট থেকে জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি। এ জন্য পঞ্চায়েত ভিত্তিক শিবির হচ্ছে। মহিলাদের জন্য ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি থেকেই শুরু হয়েছে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্প। এর সুবিধা নিতে মহিলাদের যা ভিড় হচ্ছে, তাতে কোভিড-বিধি চৌপাট হওয়ার উপক্রম না হয় তার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও সরকারি আধিকারিকরা করা নজরদারি চালান যাতে প্রত্যেকে মুখে মাস্ক পড়ে শিবির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন উপভোক্তারা। চারটি করে অতিরিক্ত শিবিরের আয়োজন করে শুধুমাত্র ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পের আবেদনপত্র জমা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতে ভিড় কমছে। সেখানেই ভিড় কমানোর জন্য মূল শিবিরের সঙ্গে অতিরিক্ত শিবিরের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সাফল্য।

শিবির গুলিতে যেহেতু মহিলাদের ভিড় বেশি হচ্ছে, সেই কারণে মহিলাদের জন্য বিশেষ কিছু ব্যবস্থা রাখা হয়েছিলো । শিবিরে মহিলাদের জন্য পর্যাপ্ত শৌচাগার এবং যে সব মহিলা তাঁদের শিশুসন্তানদের সঙ্গে আনবেন, তাঁদের জন্য স্বাস্থ্য শিবির করা হয়েছে বলে জানান প্রধান গোকুল ঘোষ।

দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন খড়গ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কার্তিক মাঝি, কান্দী মহকুমার বিশিষ্ট সমাজসেবী শাশ্বত মুখার্জী, খড়গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আবুল হাসনাত, খড়গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সুপ্রিয় ঘোষ।