সানওয়ার হোসেন, বিশেষ সংবাদদাতা :- জিয়াগঞ্জ এ খুনের ঘটনায় এখন আর রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ছড়িয়ে গেছে দেশের মধ্যে। বুদ্ধিজীবীরা যখন নীরব তখন দেশের মধ্যে অন্যান্য সাধারণ শ্রেণীর মানুষের মধ্যে জেগে উঠেছে প্রশ্ন। কি করে একজন শিক্ষকের পরিবারকে নিশংস ভাবে হত্যা করতে পারে? একের পর এক বিজেপি নেতা যখন তোপ দেগেছেন তৃণমূলের সরকারের বিরুদ্ধে এবং তাদের দাবি যে তিনি আরএসএস কর্মী ছিলেন অন্যদিকে পুলিশের অন্দরেই উঠেছে নানান প্রশ্ন। তদন্ত থেকে উঠে আসে যে এটি একটি পরিবারের মধ্যে কার নিজস্ব লড়াই এমনকি জমি নিয়ে বিবাদ, পরকীয়ার, এসব কথা উঠে আসে বিভিন্ন মহল থেকে। কিন্তু প্রকৃত সত্য কি? সে বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে এর মধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর বিজেপি নেতা মন্ত্রী ও বটে।

মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরাসরি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে ক্ষোভ দাগলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা বিজেপি নেতা গৌতম গম্ভীর। যদিও, তৃণমূলের দাবি, এই হত্যা কোনওভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়। কিন্তু, বিজেপি ইতিমধ্যেই মৃত শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পালকে নিজেদের সক্রিয় কর্মী বলে জানিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টে গৌতম গম্ভীর লিখেছেন, “আট বছরের পুত্র সমেত গোটা পরিবারকে অমানবিক, নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের আইন প্রশাসনের এতটাই অবনতি ঘটেছে যে কোনও কিছুর তোয়াক্কা না করেই হত্যালীলা চালানো হচ্ছে। আশা করি, আরএসএস কর্মীর মৃত্যুর কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিশ্চয় দোষীদের শাস্তি দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন না।”