অলোক আচার্য, নব বারাকপুরঃ- করোনা অতিমারি আবহে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের আর্থিক সংকটে পাশে দাঁড়িয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় ও শিক্ষণ সামগ্রী বিতরণ করল লেনিনগড় শিক্ষা নিকেতন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা।

মঙ্গলবার সকালে লেনিনগড় শিক্ষা নিকেতন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির দুঃস্থ ও গরীব ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবক দের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও শিক্ষণ সামগ্রী বিতরণ করা হল বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌগত রায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার রায়, বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা ঠাকুর শ্রী শ্রী সমীরেশ্বর ব্রহ্মচারী, বিলকান্দা ২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দীপা পাইক, পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ প্রবীর রাজবংশী, সমাজসেবী সজল দাস, বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতি বিদ্যুৎ কুমার পাল সহ বিশিষ্ট জনেরা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার রায় বলেন, করোনা অতিমারি তে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহু দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীরা আসেন পড়াশোনা করতে। বিলকান্দা লেনিনগড় এলাকায় গরীব মানুষের বসবাস।আর্থিক সংকটে পড়ুয়াদের অভিভাবক অভিভাবিকারা। করোনা অতিমারি আবহে সেইসব গরীব পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে সাধ্যমতো বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা শিক্ষাকর্মী রা বিদ্যালয়ের সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে প্রথম ধাপে ৬০ জন নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির দুঃস্থ পড়ুয়াদের নিত্য প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার ও শিক্ষণ সামগ্রী তুলে দেওয়া হল।

এদিন বিদ্যালয়ের ৬০ জন দুঃস্থ পড়ুয়াদের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় ও শিক্ষণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সাংসদ সৌগত রায় বলেন এই করোনা অতিমারি সংকটে বিদ্যালয়ের পড়ুয়া দের হাতে শুকনো খাবার ও পড়াশোনা সামগ্রী খাতা পেন তুলে দিচ্ছে। নিঃসন্দেহে খুব ভালো কাজ। যেকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। পড়ুয়াদের উদ্দেশ্য বলেন তোমরা অন লাইন ক্লাসে ভাল করে পড়াশোনা করে আর ও ভাল রেজাল্ট কর এবং শিক্ষক শিক্ষিকা দের কথা শুনে মেনে চলবে।

শ্রীসমীরেশ্বর ব্রহ্মচারী বলেন, অজ্ঞনতাই দূর করতে পারে শিক্ষা। লেনিনগড় শিক্ষা নিকেতনের শিক্ষক শিক্ষিকা শিক্ষাকর্মী রা নিজেদের একদিনের অর্থ উপার্জন অতিমারি আবহে পড়ুয়াদের অভিভাবক দের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও মাস্ক স্যানিটাইজার ও শিক্ষণ সামগ্রী বিতরণ করল একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।সকাল কে বড় সেবক হতে হবে না। সেবা করার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eighteen − 14 =