অলোক আচার্য, বিরাটীঃ- মুকুল চলে গেল। ডিম টা ফাটতেই থাকবে। নরেন্দ্র মোদি এসে ও ডিমকে জোড়া দিতে পারবে না। বিজেপি ফাটতেই থাকবে। তৃণমূলের কোর্টেই থাকবে। মমতার নেতৃত্বে। কোভিডের বাজারে তৃণমূল ছাড়া কেউ নেই। তৃণমূল ছাড়া বাজারে কোন পার্টি নেই। সিপিএম-কংগ্রেস উঠেই গেছে। বিজেপি এসে টাকা পয়সা নিয়ে বেচাকেনা। ডিম ফেটে বেরিয়ে গেছে। জোড়া দেওয়ার কেউ নেই। বিজেপি ভেঙেই গেছে। কারা বিজেপি করছে। কর্মীদের মারধর করবার ও দরকার নেই। মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে উন্নয়নের জন্য কাজ করি। এটাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার কর্মীদের বলেছেন।

শনিবার সকালে উত্তর দমদম পুরসভার ১৩ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিগ বাজার সংলগ্ন এলাকার রক্তদান শিবিরে এসে বিজেপি তীব্র সমালোচনা করে কথা গুলি বলেন দমদম লোকসভা সাংসদ সৌগত রায় । সাংসদ বলেন, দলের নির্দেশে সারা বছর ২৪ ঘন্টার মানুষকে সেবা দিতে হবে। রাজনীতিতে স্বীকৃতি পাবে। মানুষকে কষ্ট দেবার কোন রাজনীতি করে না তৃণমূল। মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করুন। সাংসদ বলেন আমরা বলেছি শান্তি দেব সম্প্রীতি দেব। আসুন সকালে মিলে উন্নয়ন করি। উত্তর দমদমে আগামী পাঁচ বছরের অনেক উন্নয়ন করবে বলেন সাংসদ। একার জন্য নয়। সমগ্র উত্তর দমদমের মডেল হবে। উত্তর দমদমে হেরে যাওয়া বিজেপির প্রার্থী ডাক্তার অর্চনা মজুমদার কে কটাক্ষ করে বলেন পরিযায়ী পাখি হঠাৎ উড়ে এসে বলেছিল উত্তর দমদম কে রক্ষা করতে হবে। রোজ খুঁজি। দেড় মাস হল খুঁজে পাচ্ছি না। কে এল কে গেল। সারা বছর মানুষকে সেবা দিতে হবে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের পরিষেবা দিচ্ছেন। হঠাৎই এসে জুড়ে বসলাম তা হবে না। বলেন সাংসদ।

উত্তর দমদম পুরসভার ১৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি প্রশান্ত দাস এই বছর বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ উপর ভোটে লিড দিয়েছেন পিছিয়ে পড়া ওয়ার্ডের। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে পরিষেবা দিচ্ছে সামাজিক কাজ করে কর্মী সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ সংঘবদ্ধ করছে এটা বড় কাজ। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পুরসভার মুখ্য প্রশাসক সুবোধ, শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিধান বিশ্বাস, বিভিন্ন ওয়ার্ডের কোঅর্ডিনেটরা ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির ও বাজারে বিশিষ্ট জনেরা। দমদম উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৩ নং ওয়ার্ডের বুথ কর্মীদের ও সম্মানিত করেন সাংসদ ও রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও। এদিন মানিকতলা কেন্দ্রীয় ব্লাড ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় শিবিরে ৪৬ জন রক্তদান করেন।