অলোক আচার্য, নিউ বারাকপুরঃ- শনিবার ২রা অক্টোবর৷ মহাত্মা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর ১৫২ তম জন্ম বার্ষিকী৷ ভারত মাতার সন্তান হলেও তাঁর অহিংসা, সত্যাগ্রহ এবং স্বরাজ দর্শনের জন্য গোটা বিশ্বের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছেন এই মহান পুরুষ। ১৮৬৯ সালের এই দিনে ভারতের গুজরাটের পোরবন্দরে জন্ম গ্রহণ করেন অহিংস নীতির প্রতিমূর্তি মহাত্মা গান্ধী৷ ভক্তরা ‘মহাত্মা’ এবং ‘বাপু’ এই দুই নামে ডাকতেন মহান গুরু গান্ধীকে৷ তবে সরকারিভাবে তাঁকে ‘জাতির জনক’ খেতাব প্রদান করা হয়৷ তাঁর জন্মদিন হিসেবে প্রতি বছর আজকের দিনে ভারতবাসী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘গান্ধী জয়ন্তী’ পালন করে৷ সরকারিভাবে দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়৷ সারাবিশ্বে দিনটি পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস হিসেবে।

শনিবার সকালে নব বারাকপুর পুরসভার উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনটি ১৩ নং ওয়ার্ডের গান্ধী স্মারক উদ্যানে নব নির্মিত চরকা সুতা কাটা মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ নিবেদন করে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান হয়। উপস্থিত ছিলেন পুরসভার মুখ্য প্রশাসক প্রবীর সাহা, উপ মুখ্য প্রশাসক মিহির দে, প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য জয়গোপাল ভট্টাচার্য, নির্মিকা বাগচী, সুমন দে, জেলা তৃণমূল নেতা ঋষিকেষ রায় সহ ১৩ নং ওয়ার্ডের ছাত্র যুব মহিলারা এবং বিভিন্ন গণসংগঠনের সদস্যরা গান্ধী অনুরাগী বিশিষ্ট জনেরা।

গান্ধীজীর জীবনাদর্শ আদর্শ নীতি তৎসহ স্বাধীনতা আন্দোলনে তার অবদান নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন পুরসভার মুখ্য প্রশাসক, উপ মুখ্য প্রশাসক সহ বিশিষ্ট জনেরা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন উপ মুখ্য প্রশাসক মিহির দে।

উল্লেখ্য বিগত চার বছর আগে গান্ধীজীর ১৪৮ তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে ১৩ নং ওয়ার্ডে গান্ধী স্মারক উদ্যানে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল। চিত্রকর দেবব্রত দের ভাস্কর্য দৃষ্টি নন্দন ফাইবারে মূর্তি টি এলাকায় যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিয়ে ছিল।