সনাতন গরাই, দুর্গাপুর :- প্রত্যেক মানুষের সামাজিক দায়িত্ব মৃত্যুর পর দেহদান করার।একজন সাহিত্যিক পূর্নানন্দ রায় সেই কর্তব্য পালন করেছিলেন বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজ থেকে। সেখানে তিনি মৃত্যুর পর দেহদানের জন্য স্বাক্ষর করেন এবং চক্ষুদানের জন্য দুর্গাপুর ডিএসপি হাসপাতালে স্বাক্ষর করেন। পূর্নানন্দ রায় দুর্গাপুরের হিন্দুস্থান ফার্টিলাইজারের একজন সিনিয়র কর্মী ছিলেন। তখন থেকেই তিনি বিভিন্ন গ্রন্থ লিখতেন। তার পর একটা সময় ৯৩ বছরে পা রাখেন একটি গ্রন্থ শেষ না হয়েই থেমে যায়। বার্ধক্যজনিত রোগে মৃত্যু হয় পূর্ণেন্দু বাবুর। মৃত্তুর দিন সাহিত্যিক কে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মানুষের ঢল পরে যায়।মৃত্যুর আগে সাহিত্যিক পূর্নানন্দ রায় বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।মৃত্যুর সময় সাহিত্যিকের দেহ দেওয়া হয় বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজে।এবং তার কর্নিয়া সংগ্রহ করে দুর্গাপুর ব্লাইন্ড রিলিফ সোসাইটি।তার লেখা বিভিন্ন কাহিনী পত্রিকায় প্রকাশিত হত।

সাহিত্যিক পূর্নানন্দবাবুর তিন ছেলে পার্থ রায়, দেবাশীষ রায় ও দীপঙ্কর রায়। তার এক ছেলে জানান আমার বাবা অন্য কোনো মানুষের শরীরে বেঁচে থাকবে। প্রত্যেকটা মানুষের এইভাবে কর্তব্য পালন করা দরকার। বাবা বিভিন্ন গ্রন্থ লিখেছেন। একটা গ্রন্থ শেষ না হয়েই একসময় থেমে যায়। আমরা বাবার শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান বুধবার করলাম। ছোট্ট করে বাবার সমস্ত ব্যাবহারের সরঞ্জাম ও লেখা গ্রন্থ গুলো রাখা হয় যাতে করে সমস্ত মানুষ দেখতে পাই।