মধ্যমগ্রাম সুর নন্দনের জমজমাট বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

0

অলোক আচার্য, মধ্যমগ্রাম :- সুর নন্দন। সুর তাল লয়। তিনটির মিশ্রন। নামের মধ্যে রয়েছে একটা আলাদা মাধুর্য ও আন্তরিকতা। উত্তর ২৪ পরগণা জেলার মধ্যমগ্রাম সুভাষপল্লীর জনপ্রিয় সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি কীবোর্ড ও পিয়ানো বাদ্যযন্ত্র শেখানোর সুব্যবস্থা রয়েছে। চন্ডীগড় প্রাচীন কলাকেন্দ্র অনুমোদিত।

১০ নভেম্বর শনিবার স্হানীয় নজরুল শতবার্ষিকী সদনে অনুষ্ঠিত হল সুর নন্দনের জমজমাট বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ও বহিরাগত শিল্পীরা সমবেত সংগীত,নৃত্য,আবৃত্তি পরিবেশন করে ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। ছোট ছোট শিশু শিল্পী থেকে বড় শিল্পীদের সুরেলা কন্ঠে সন্মেলক সংগীত ছিল বেশ সাবলীল।

অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষন ছিল ছোট শিশু শিল্পী সাথে দাদু দিদা নাতি নাতনিদের একটি রাম্প শো। যা বেশ অভিনব। মাঙ্গলিক সূচনায় শিক্ষার্থীদের কন্ঠে সমবেত গান ‘ সেদিন আর কত দূরে যে দেশ তোমার প্রানের গৌরবে.. বেশ সুন্দর উপস্হাপনা। খুদে কচিকাচাদের সুমধুর কন্ঠে ‘ আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে..,লালঝুটি কাকাতুয়া.. জঙ্গল জঙ্গল বাতা চালা হায়.. আবার তোমরা কুজ্ঞ সাজাও গো সমবেত সংগীত গান গুলি ভারি চমৎকার। হিন্দী গান পাপা কেয়তে হ্যায়.. মাইয়া যশোদা আবার লোকসঙ্গীত তুই কেনে কাদা দিলি সাদা কাপড়ে.. দর্শকদের মুগ্ধ করে। দেবপ্রিয়া পাত্রের সুন্দর কীবোর্ড বাদনে রবীন্দ্রসংগীত ছিল বেশ ভাল। ছোট শিশু শিল্পী দেবাঙ্গী বিশ্বাস এবং আবৃত্তিকার বাচিক শিল্পী সৌমি দের সুরেলা কন্ঠে আবৃত্তির বাচন ভঙ্গি একটা অন্য মাত্রা ত্রনে দিয়েছিল। মঞ্চে বহু বিশিষ্ট গুনিজনদের সন্মানিত করা হয় এদিন।

বাদ্য যন্ত্রানুসঙ্গীতে তবলা ঢোল কীবোর্ড গীটার বেস গীটার অক্টোপ্যাড এবং বাশিঁ বাদকদের সঙ্গতে শিল্পীদের সুর মুচ্ছর্নায় অনুষ্ঠান মনোজ্ঞ হয়ে উঠেছিল। গৌরবময় উপস্হিতি ছিল চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মৌসুমী দাস এবং গীটার ম্যান্ডোলিন বাদক রাজা চোধুরী। অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মধ্যমগ্রামের উপপুরপ্রধান প্রকাশ রাহা, বাচিকশিল্পী দিবা দত্ত, মুকুল দেব ঠাকুর, শিল্পী সৃজিত ভট্টাচার্য, সংগীতশিল্পী গৌতম মজুমদার, চুমকি ঘোষ, প্রদীপ ঘোষ, সুদিপ কর্মকার, সুজিত বসু প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে পরিকল্পনায় ও পরিচালনা করেন সুর নন্দনের অধ্যক্ষা প্রথতিযশা সংগীত শিল্পী তনয়া ঘোষ ও কীবোর্ড পিয়ানোবাদক প্রদীপ ঘোষ। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন বাচিক শিল্পী স্বপন হালদার। দর্শকদের উপস্হিতী ছিল লক্ষ্যনীয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nineteen + eighteen =