অলোক আচার্য, মধ্যমগ্রামঃ- রবীন্দ্র – নজরুল আমাদের সকলের শয়নে স্বপনে মননে চিন্তনে। বাঙালির সুস্থ সংস্কৃতি সাথে রবীন্দ্র নজরুলের একটা আবেগ নস্টালজিক ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। রবীন্দ্র সংগীত ও নজরুল গীতি কার না ভালো লাগে। দীর্ঘ দু বছর করোনা অতিমারি আবহে কোন জাকজমক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় নি। এবছর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে সবার মধ্যে বেশি করে সুস্থ সংস্কৃতি বোধ ছড়িয়ে রিদ্ধ করতে বুধবার সন্ধ্যায় এক মনোঞ্জ বর্নময় রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা অনুষ্ঠান করল মধ্যমগ্রাম কালচারাল ফোরাম।

মধ্যমগ্রাম নজরুল শতবার্ষিকী সদনে প্রায় দেড় শতাধিক গুণী শিল্পী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের কলাকুশলিরা একক ও সমবেত সংগীত পরিবেশন করে দুই মহান মনীষীকে শ্রদ্ধা জানান এদিন।প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরা পরিবেশন করেন একটি করে গান। কেউ গাইলেন বিভিন্ন পর্যায়ের রবীন্দ্র সংগীত আবার কেউ বা নজরুল গীতি। কন্ঠ শিল্পীদের সাথে যন্ত্রানুষঙ্গতে বাদনদের বাদন শৈলী ও দর্শকদের মোহিত করে এদিন স্বর্ণালী সন্ধ্যায়।

ফোরামের সভাপতি শিক্ষক চন্দন দত্তগুপ্ত জানান, পথ চলা শুরু ১৯৯৯ সাল থেকে। ফোরামের একটি থিম সং আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। নববারাকপুর মধ্যমগ্রাম বারাসত অঞ্চলের প্রতিষ্ঠিত খ্যাতনামা কন্ঠশিল্পী যন্ত্র শিল্পীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

পাশাপাশি মধ্যমগ্রাম সৃষ্টির পথে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অসহায় শিশুদের কিছু প্রীতি উপহার তুলে দেওয়া হয় এদিন ফোরামের পক্ষ থেকে। পুরনো নতুন রবীন্দ্র সংগীত ও নজরুল গীতি দর্শকদের হাত তালি কুড়িয়ে নেয় এদিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন বাচিক শিল্পী দিবা দত্ত, বনানী বসু ও প্রভাস গোপ।