অলোক আচার্য, মধ্যমগ্রাম :- বৃদ্ধাশ্রমে অসহায় মানুষদের সাহার্য্যার্থে মধ্যমগ্রাম কালচারাল ফোরামের অষ্টম বার্ষিক সংগীতানুষ্ঠান হল শনিবার সন্ধ্যায় স্হানীয় নজরুল শতবার্ষিকী সদনে। নিউ বারাকপুর,মধ্যমগ্রাম ও বারাসতের তৎসংলগ্ন অঞ্চলের শিল্পী সমন্বয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় ৩৩জন প্রতিভাবান সংগীত শিল্পীরা ভিন্ন স্বাদের মনমাতানো সংগীত পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করলেন। প্রত্যেক শিল্পী একটি করে গান করেন। লক্ষ্য নিউ বারাকপুর মধ্যমগ্রাম এলাকায় প্রথতিযশা শিল্পীও কলাকুশলীরা একদিন একত্রিত হয়ে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে গান বাজনায় আনন্দ উপভোগে উদ্বৃত্ত অর্থে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। দুটি পর্বে প্রায় ৩৬জন বাদ্যযন্ত্র বাদনে অংশগ্রহণ করে। পথ চলা শুরু ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে নিহত বীর জওয়ানদের সাহার্য্যার্থে। ফোরামের অন্যতম ঢোলক থুম্বাবাদক সুমিত সরকার জানান গত বছর বাঙুর শিক্ষা ফাউন্ডেশনকে আর্থীক সহায়তা করা হয়েছিল। এবছর ও মধ্যমগ্রাম বাদু রোডে বৃদ্ধাশ্রমে অসহায় মানুষদের সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। শিল্পীরা ভিন্ন পর্যায়ের আধুনিক হিন্দী ও বাংলা ছায়াছবির গানে দর্শকদের মন জয় করেন। জমজমাট সংগীতানুষ্ঠানে শিল্পী কলাকুশলীদের উদ্দীপনা ছিল চোখেঁ পড়ার মতো।

ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক সুদীপ কর্মকার ও চন্দন দত্তগুপ্তের ভাষনের মধ্যে দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ হয়। বিশেষ ভাবে সংবর্ধিত করা হয় প্রবাদপ্রতিম যন্ত্রসংগীত শিল্পী প্রতাপ রায়কে। সকলের প্রিয় বেবিদা। বেবি দা উদ্যোক্তাদের সুরমূচ্ছনায় সংগীত সন্ধ্যায় শিল্পী কলাকুশলীদের আন্তরিক সাধুবাদ জানান এত সুন্দরভাবে এক মঞ্চে একঝাঁক শিল্পী বাদ্যযন্ত্র বাদনের সার্বিক অংশগ্রহণ দেখে।

উল্লেখযোগ্য শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন রাজীব চৌধুরী,শেখর দাস,সলিল বিশ্বাস,প্রিয়াঙ্কা দত্ত,সুষ্মিতা সিংহ রায়,দেবষ্মিতা চৌধুরী,তানিয়া দাম,সমীর সাহা,বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী,চন্দন দত্তগুপ্ত,সব্যসাচী গাঙ্গুলি,গৌতম মজুমদার,প্রমুখ। শিল্পীদের সুরেলা কন্ঠে সংগীত ছিল বেশ সাবলীল। তবলা বাদক সত্যজিৎ সরকার ও সব্যসাচী গাঙ্গুলি ও সুন্দর স্বর্নালী সংগীতানুষ্ঠানে প্রাজ্ঞল বক্তব্য রাখেন। শিল্পীদের সঙ্গে বাদ্যযন্ত্র বাদনদের সার্বিক সহযোগিতায় সংগীত সন্ধ্যা মনোজ্ঞ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন বাচিক শিল্পী রবীন সামন্ত,স্বপন হালদার ও সোমনাথ ভট্টাচার্য।