সনাতন গরাই, দুর্গাপুর :- বিজয়বর্গীও, অরবিন্দ মেনম, দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু, লকেট এর মত বিজেপি নেতা- নেত্রীদের সন্ধ্যাবেলায় সিটিসেন্টারে চিন্তন শিবির চলছিল। বাইরে বিজেপি কর্মীদের ভিড়। সেই ভিড়ের মাঝে রক্তাত্ব অবস্থায় ছুটতে ছুটতে এলো বিজেপি এক কর্মী। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী নীতিস নায়েক। সে আগে তৃণমূল করতো। বাড়ি দুর্গাপুরের সিটিসেন্টারে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী জানান, তৃণমূলের কুকর্মের ফলে আরএসএস এ যোগ দিয়। এর সাথে বিজেপির কাজেও থাকি। আমার কাকা নিখিল নায়েক তৃণমূল কর্মী। আর আমি আরএসএসএ যোগ দেওয়াও তাদের রাগ হয়। আমি একটি কম্পিউটার কেন্দ্র চালায়। এই ভালো কাজ তৃণমূল কর্মীরা দু চোখে দেখতে পারছে না।যার ফলে তারা দলবল নিয়ে মাঝে মাঝে আক্রমণ করে আমার উপর। রক্তাক্ত অবস্থায় নীতিস চিন্তন শিবিরের বাইরে আসে। শিবির শেষ হলে বিজেপি নেতামন্ত্রীরা বাইরে এলে তারা হতাশ হয়ে যায়। বিজেপির জেলা সভাপতি লক্ষণ ঘোরুই জানান, বারে বারে আমাদের কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছে। তা দেখেও পুলিশ কিছু করছে না। সায়ন্তন বসু জানান, যে পুলিশ আজ তৃণমূল গুন্ডাবাহিনীর হয়ে কাজ করছে, সেই পুলিশি আর কিছুদিন পর ওই গুন্ডাবাহিনীদের পেটাবে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নেই বললেই চলে। আমরা নামবো তীব্র প্রতিবাদে। সেদিন সব গুন্ডাবাহিনীদের পুলিশ জেলে ভরবে।

অন্যদিকে তৃণমূল কর্মীরা জানান, বিজেপি কর্মীরা মদ খেয়ে উল্টো পাল্টা গালিগালাজ করছিল। পরে আমাদের কর্মীদের উপর চড়াও হয়। যার ফলে আমাদের কর্মীরা জখম হয়ে যায়। আর বিজেপি কর্মীরা নিজে নিজে মারামারি করে মাথা ফাটিয়ে আমাদের নাম করছে।