অলোক আচার্য, নববারাকপুরঃ- ঠাকুর শ্রী শ্রী সমীর ব্রহ্মচারী বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘ প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার সকালে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। মন্দির থেকে একে একে বলভদ্রদেব, সুভদ্রার, প্রভু জগন্নাথের এবং সুদর্শন দেবকে বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘের ব্রহ্ম সরোবরের পাড়ে স্নানবেদীতে আনা হয়। তারপর তাঁদের আরতি করে ঘি, মধু, দুধ দিয়ে স্নান করান আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী শ্রী সমীর ব্রহ্মচারী মহারাজ।

সুবিশাল শঙ্খে দুধ পরিপূর্ণ করে প্রভুদের মাথায় ঢালা হয়। তারপর পৃথিবীর ১৫০ টিরও বেশী পবিত্র তীর্থস্থানের জলে পরিপূর্ণ আশ্রমে ব্রহ্মসরোবরে ১৩৮ টি ঘটে করে জল এনে মন্ত্রোচ্চারণের দ্বারা শুদ্ধ করে বিগ্রহদের স্নান করানো হয়। ১৩৮ টি ঘটের মধ্যে ৩৫ টি ঘটের জল প্রভু জগন্নাথদেবের মস্তকে ৩২ টি ঘটের জল বলভদ্রদেবের মস্তকে ২৩ টি ঘটের জল সুভদ্রা মাতার মস্তকে এবং ১৮ টি ঘটের জল সুদর্শনদেবের মস্তকে ঢালা হয়। এইভাবে জৈষ্ঠ্য মাসের পূর্ণিমায় স্নানযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

স্নানযাত্রার পর বলভদ্র এবং জগন্নাথদেবকে হাতির মুখের মুখোশে সজ্জিত গণেশের বেশে সাজানো হয়। একে বলে গজাবেশ।

শ্রী সমীরেশ্বর ব্রহ্মচারী মহারাজ জানালেন, অনেক স্নান করার পর প্রভুদের জ্বর আসে।
এই সময় ১৫ দিন তাঁদের দর্শন বন্ধ থাকে। এই অবস্থাকে ‘অনসর’বলে। পাচনভাগে দেওয়া হয়। আবাগোচ লাভের পর নেত্রোৎসবের মাধ্যমে নবযৌবন লাভ করেন। তখন তাঁরা নতুন পোশাক পরে
ভক্তদের দর্শন দেন।