সানওয়ার হোসেন, ঢোলাহাট :- কি যুগে এসে পড়েছি আমরা। সন্তানের স্বাশন করার অধিকার থাকছেনা আর অভিভাবকের। স্বাশন করলে হারাতে হচ্ছে সন্তান কে। তেমনই এক ঘটনা ঘটলো দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট থানায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ঢোলাহাট থানার চন্ডিপুর গ্রামে তাপস পাইক (১৭ ) বাবা ইন্দ্রজিৎ পাইক গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। বাবা ইন্দ্রজিৎ পেশায় হকার, দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়েই তার সংসার, মৃত তাপস ছোট ছেলে। পড়াশুনা বন্ধ করে দেয় নিজ ইচ্ছায়। বন্ধুদের সঙ্গে পড়ে বিভিন্ন সময় বাবার অবাধ্য হচ্ছিল বলে জানা যায়। এমনকি বিভিন্ন দোকান থেকে বাকি করে খাচ্ছিল।

আজ ইন্দ্রজিৎ বাবু হকারি করে বাড়ি ফেরার পথে এলাকার এক দোকানদার তাকে জানায় যে তার ছোট ছেলে দোকানে বাকি করে দিচ্ছে না। সেই কথা শুনে সকাল ১১ টা নাগাদ বাড়িতে গিয়ে বাবা ইন্দ্রজিৎ মৃত তাপস কে বকাবকি করে। তারপর থেকে ছেলে বাইরে যাবার নাম করে বেরিয়ে যায়। প্রতিদিনের মতোই ছেলে যেমন বাইরে যায় তার কোন খোঁজ থাকে না। কিন্তু হঠাৎ বেলা তিনটে নাগাদ স্থানীয় এক ব্যক্তি দেখতে পান পাশের একটি বাগানে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে তাপস। খবর যায় ঢোলা হাট থানায়। পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে গদামথুরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসে। চিকিৎসক সেখানে মৃত বলে ঘোষণা করে। আজ মৃতদেহটি কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এই নিয়ে এলাকায় রয়েছে চাঞ্চল্যকর পরিস্তিতি। এলাকায় মানুষের গুঞ্জন শুনতে পাওয়া যায় যে ছেলেমেয়েদের স্বাশন করলেও দোষ?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eighteen − one =