বাগদায় ডাক্তারি ক্লিনিকে কাজ দেওয়ার নাম করে এক যুবতীকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক

0

সংবাদদাতা, বাগদা :- ডাক্তারি ক্লিনিকে কাজ দেওয়ার নাম করে নিয়েগিয়ে এক যুবতীকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার এক যুবক। ধৃতের নাম সঞ্জির বিশ্বাস (অপূর্ব)। বাগদা থানার বাজিৎপুর বিজয়নগরের বাসিন্দা। গতকাল তাকে বাগদার শিন্দ্রানী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে বাগদা থানার পুলিশ।
সূত্রের খবর, ২০১৭ সালের মার্চ মাসে এক পরিচিত যুবকের মাধ্যমে অপূর্বের সঙ্গে পরিচয় হয় বাগদার মশামপুর এলাকার এক যুবতীর। অপূর্ব তখন নিজেকে ডাক্তার বলে পরিচয় দেয়। যুবতিকে ভারত – নেপাল সীমান্তে তার একটি ক্লিনিক আছে বলেও জানায় সে। সেখানে মেটিকে কাজের প্রস্তাব দেয় অপূর্ব। ও যুবতী পরিবারে সঙ্গে অপূর্ব ও তার বন্ধু গিয়ে কাজের কথা বলে। পিতা হারা দরিদ্রা পরিবারে মেয়েটি উপার্জন করতে তার সঙ্গে যেতে রাজি হয়। তাকে নেপাল সীমান্ত লাগোয়া আলিগড়বা নিয়ে যায় অভিযুক্ত। অভিযোগ, সেখানে অপূর্বের কোন ডাক্তারি চেম্বার ছিলনা। তাকে কোন কাজ না দিয়ে একটি ঘরে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হত। প্রতিবাদ করলে চলত বেধড়ক মার। সেখানে বেশ কিছুদিন থাকার পরে মেয়েটিকে নিয়ে অপূর্ব নেপালের হাড়িয়া এলাকায় চলে যায়। সেখানে তাকে অপূর্ব ও তার বন্ধুরা গণধর্ষণ করে ও তা মোবাইলে ভিডিও করে রাখে বলে অভিযোগ। গত মার্চ মাসের ১৯ তারিখ সেখান থেকে মেয়েটি পলিয়ে আসলে তাকে ফোনে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে তারা। ও ফিরে যেতে বলে। ফিরে না গেলে মেয়েটির পরিবারের সদস্যদের প্রানে মারা হুমকিদের ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ারও হুমকি দেয়। চলতি মাসের ৯ তারিখে সন্ধ্যায় অপূর্ব কিছু দুষ্কৃতিদের নিয়ে মেয়েটিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। ভয়ে মেয়েটি থানায় যেতে না পেতে রেজিষ্টি পোষ্টের মাধ্যমে বনগাঁ এসডিপিও এর আছে অভিযোগ জানায়। অভিযোগ পেয়ে গতকাল বাগদার শিন্দ্রানী থেকে অভিযুক্ত অপূর্বকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ তাকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

6 + 4 =