সুজয় মন্ডল, বসিরহাট :- বৃহস্পতিবার সকাল থেকে একের পর এক টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে বেশ কিছুটা দেরি করেই শুরু হয় বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। এদিন সকাল সাতটা নাগাদ পোস্টাল ব্যালটে ভোট গণনার কাজ শুরু হওয়ার পরই সার্ভার খারাপ থাকায় বন্ধ হয়ে যায় পোস্টাল ব্যালট গোনার কাজ। আর সে কারণেই ইভিএম গণনার কাজে হাত দিতে দেরি হয়ে যায় প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি। ইভিএম গণনার ফলাফল ঘোষণা হওয়ার প্রথম রাউন্ড থেকেই দেখা যায় বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে এগিয়ে থাকতে শুরু করেন নুসরাত জাহান। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবধান বাড়তে থাকে নুসরাত জাহনের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে। এদিন সকাল থেকে গণনা কেন্দ্রে দেখা গিয়েছিল বসিরহাট লোকসভার বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসু ও কংগ্রেস প্রার্থী কাজী আব্দুর রহিমকে। গণনা কেন্দ্রে সকাল থেকে দেখা যায়নি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নুসরাত জাহানকে। সারাদিন পরে বিকাল চারটে নাগাদ যখন সায়ন্তন বসু থেকে প্রায় আড়াই লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধান উঠে আসে তখনই গণনা কেন্দ্রে হাজির হন নুসরাত জাহান। ততক্ষণে তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যবধান বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বসিরহাট ভ্যাবলা পলিটেকনিক কলেজের সংলগ্ন মাঠে হাজির ছিলেন উৎসাহিত তৃণমূল সর্মথকরা। নুসরত জাহান এর সমর্থনে মাঠে আবির খেলতে দেখা যায় কর্মী-সমর্থকদের। মাঠে হাজির হতে নুসরত জাহানকে সবুজ আবিরে রাঙিয়ে দেন সামর্থ্যরা। গণনায় নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সায়ন্তন বসুর থেকে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলে নুসরাত জাহান বলেন,” এই জয় সাধারণ মানুষের জয় এই জয় দলের জয়। মানুষ আমাকে ভালোবেসে যে ভোট দিয়েছে তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ”।