অলোক আচার্য, নিউ বারাকপুরঃ- বুধবার রাতে শেষ দিনে নিউ বারাকপুর মজলিস প্রাঙ্গণে বই মেলায় উপস্থিত রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী রথীন ঘোষ।মন্ত্রী ঘুরে দেখলেন বইমেলায় অবস্থিত বুক স্টলের কাউন্টার গুলি। এমনকি কাউন্টার থেকে মন্ত্রী তার পছন্দ মত বইও কিনলেন শেষ দিনের বই মেলা থেকে।গত ২৫ শে মার্চ এই বইমেলার শুভ সূচনা হয়েছিল।বুধবার ছিল শেষ দিন, শেষ দিনে বই প্রেমী মানুষের ভির ছিলো নিউ বারাকপুর শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদ আয়োজিত নিউ বারাকপুর বই মেলায়। অনলাইন ও ইন্টারনেটের ব্যবহারে বই পড়া অনেকটাই কমে গেছে এই প্রজন্মের মানুষের মধ্যে কিন্তু রথীন বাবু মনে করেন যারা বই পড়ে তারা যতই ইন্টারনেট আসুক আর যাই আসুক তারা বই পড়ে।

অনলাইনে পড়া আর হাতে বই নিয়ে পড়ার মধ্যে অনেকটাই পার্থক্য, বই পরলে সেটা মনে রাখা যায় বেশি করে। অনলাইনে হঠাৎ দরকার। খুব ধারাবাহিক ভাবে পড়তে হবে। এটা মনে রাখা মুশকিল। বইতে পড়লে। পড়ার দেখার সুযোগ থাকে। বইয়ের বিকল্প অনলাইন হতে পারে না। হবেও না। বই আমাদের চিন্তায় মননে। যেখানেই থাক সার্বিকভাবে আছে। ভালোভাবে থাকবেও। বই থাকবে,এমন বই মেলা আরও বেশি করে করা উচিত তাহলেই পাঠকদের মধ্যে বই এর প্রাসঙ্গিকতা অনেক বাড়বে। কলকাতা বইমেলা অনেক বড়, অনেক পাবলিশার্স থাকে সেখানে, তবেই এই বইমেলাতেও পাঠকদের জন্য নানান বই আছে, অর্থাৎ সব ধরনের পাঠকরা তাদের পছন্দ মত বই পেয়েছে বলে আশাবাদী মন্ত্রী।

এদিন রাজা রামমোহন রায় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন পুরসভার পুরপ্রধান প্রবীর সাহা, জেলা তৃণমূল নেতা তপন দাস, স্থানীয় কাউন্সিলার কৃষ্ণা বোস, ড.অনিরুদ্ধ বিশ্বাস, সমীর শীল প্রমুখ।

আগামী বছর বইমেলা এই মজলিস প্রাঙ্গণেই হবে ডিসেম্বর জানুয়ারি মাসে বলে জানান আয়োজক শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি ড.অনিরদ্ধ বিশ্বাস ।