সংবাদদাতা, বাদুড়িয়া :- প্রতিবেশীর পরিত্যক্ত কুয়া থেকে এক পৌড়ের বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ফকির মন্ডল নামে বছর ৫৫ এর ওই পৌড়কে খুন করে বস্তাবন্দি করে পরিত্যক্ত কুয়ায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। ঘটনায় প্রতিবেশী আবদুল্লা গাজীকে আটক করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। তবে কি কারনে ফকির মন্ডলকে খুন করা হয়েছে সে বিষয়ে ধোঁয়াসা কাটেনি। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর শনিবার সকালে প্রতিবেশী আবদুল্লা গাজীর পরিত্যক্ত কুয়া থেকে ফকির মন্ডলের দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার চাতরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘোষপুর এলাকায়। গত বুধবার, ৩ জুলাই থেকে নিখোঁজ ছিল পেশায় দিনমজুর ফকির মন্ডল। স্ত্রী ও ছেলে তাকে বাড়িতে রেখে দীঘায় বেড়াতে গিয়েছিল। বাড়িতে ফিরে দেখে ফকির বাড়িতে নেই। বহু জায়গায় খোঁজখবর করেও তার কোন হদিস মেলেনি। অবশেষে এদিন সকাল বেলায় প্রতিবেশী আবদুল্লা গাজীর বাড়ির পরিত্যক্ত কুয়ায় বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয় ফকির মন্ডলের। এই ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পরিবারের লোক খোঁজ করতে গিয়ে প্রতিবেশীর বাড়ির পরিত্যক্ত কুয়া মধ্যেথেকে পচা গলা বস্তাবন্দি দেহর দুর্গন্ধ পাওয়াতে তাদের সন্দেহ হয়।পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে বসিরহাট জেলা হাসপাতালের ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। স্বামীকে বাড়ি ফেলে দীঘায় বেড়াতে যাওয়ার স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়েও রহস্য দানা বেঁধেছে। পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে বাদুড়িয়া থানার পুলিস। পুলিশ সুত্রে জানাগেছে ফকির মন্ডল ও আবদুল্লা গাজী একতে মদ খেত। দুজনেরই মদে আসক্ত ছিল। সম্ভবত মদ খাওয়াকে কেন্দ্র করে কোন ঝামেলার কারনেই খুন হতে পারে ফকির। এমনটাই অনুমান পুলিশের। পাশাপাশি আরও বেশকিছু কারনকে সামনে রেখে খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ।