নিজস্ব সংবাদদাতা, হাড়োয়া :- প্রেমিকের যৌনাঙ্গ কেটে নেওয়ার অভিযোগ প্রেমিকার বিরুদ্ধে, থানা গিয়ে আত্মসমর্পণ প্রেমিকার। এমনই ঘটনা ঘটেছে বসিরহাট মহকুমার বকজুড়ি অঞ্চলের খাড়ুবালা গ্রামের মর্মান্তিক ঘটনা। অভিযোগ ২৮ বছরের মৌসুমী বিশ্বাস ৩২ বছরে সুরজিৎ বিশ্বাসের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেম আলাপ সেই সূত্রে বাড়িতে যাতায়াত করত। সুরজিৎ বিশ্বাস পেশায় গৃহশিক্ষক । মৌসুমী বিশ্বাস সুরজিৎ বিশ্বাসের পরিচিত মেয়েটির বাড়ির বাবা-মা মেনে নেননি। তাদের এই দীর্ঘদিনের প্রেম ঘটিত তারপর ছয় মাস আগে তারা একটি মন্দিরে বিয়ে করেন ।বলে শোনা যায়। তারপর মেয়েটির বাবা মেনে নেননি ।তখনই পরিকল্পনামাফিক চেষ্টা করেন কখন মেয়েটির সঙ্গে বিচ্ছেদ করানো যায় ।দিনের পর দিন চলে পরিকল্পনা গত গতকাল সোমবার রাতে দুটো সময় বাবা মেয়েকে দিয়ে মোবাইল ফোনে সুরজিৎ কে বাড়িতে ডাকা হয় ।তারপর পরিকল্পনামাফিক মেয়েটির বাবা দিলীপ বিশ্বাস মেয়েটির দাদা তাপস বিশ্বাস বাড়ির সকলে মিলে ছেলেটির পুরুষাঙ্গ কেটে নেয়া হয়। তারপর ছেলেটি বাঁচার তাগিদে দৌড়াতে নিজের বাড়িতে চলে যায়। তারপর তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রেমিক সুজিতের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সেখান থেকে রেফার করা হয় বাইপাসের ধারে বেসরকারি নার্সিংহোমে আইসিইউতে ভর্তি আছে। ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে হাড়োয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সুরঞ্জিত পরিবার প্রেমিকাসহ চারজনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে হাড়োয়া থানায়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ তারপর অভিযুক্ত প্রেমিকা মৌসুমী বিশ্বাস বাবা দিলীপ বিশ্বাস এবং দাদা এই তো তাপস বিশ্বাস সহ ৩ জন এই ঘটনার দায় স্বীকার করে হাড়োয়া থানার পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন ।হাড়োয়া থানার পুলিশ তদন্ত নেমেছে। ধৃত প্রেমিকা বাবা ও দাদা মোট তিন জনকে আজ মঙ্গলবার বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। পুলিশ ইচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু করেছে প্রেমিকা মৌসুমী বিষ্ণুপ্রিয়া বিশ্বাস এই ঘটনার জন্য তার মেয়ের সপরিবারে অন্যন্যদের কঠিন শাস্তির দাবি জানিয়েছে প্রেমিক সুরজিৎ বিশ্বাসের মা কমলা বালা বিশ্বাস দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়েছেন আদালতের কাছে। ফাঁসির দাবি জানিয়েছে।