প্রায় পাঁচশো বছর প্রাচীন দশভুজা মা মহিষাসুর মর্দ্দিনী পুজোয় মেতে ওঠে কালনার মানুষ

0
Advertisement

রাহুল রায় ,পূর্ব বর্ধমান :- প্রায় পাঁচশো বছর প্রাচীন দশভুজা মা মহিষাসুর মর্দ্দিনী পুজোয় মেতে ওঠেন কালনার মানুষ। শুধু কালনা নয় নদীয়া, হুগলী ও দুই বর্ধমান জেলার মানুষ ভিড় জমায় এই পুজোয়,পুজো ঘিরে বসে বিশাল মেলা। প্রাচীন এই পুজোর অপেক্ষায় থাকেন কালনার অধিবাসীরা। এই পুজো নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রচুর পরিমানে পুলিশ মোতায়েন করা হয় মেলা ও পূজা প্রাঙ্গনে।
প্রায় পাঁচশো বছর আগে নদীয়ার রানাঘাটের পাল চৌধুরী বাড়িতে মহিষাসুর মর্দ্দিনীর পুজো শুরু হয়েছিল। ঠাকুর বিসর্জন দেওয়ার পর ঠাকুরের পাটাতন ভাগীরথী নদীতে ভেসে চলে আসে কালনা গঞ্জের ঘাটে। জনশ্রুতি আছে ধর্ম প্রিয় ঈশ্বর পাল দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে নদীর পারে এসে পাটাতন তুলে আনেন। এই পুজো চাল পট্টিতে হাবলা পাতার ঘর করে রেখে শুরু হয়। জয়া ও বিজযা কে দুই দিকে রেখে দশভুজা মা মহিষাসুর মর্দ্দিনীর মূর্তি গড়ে চাল ব্যবসায়ীরা বাংলার শ্রাবন মাসে পূর্ণিমায় মহাধুম ধামে পুজো শুরু করেন। তার ফলে এই এলাকার ব্যবসায়ীদের শ্রীবৃদ্ধি হয়। এই পুজোকে ঘিরে বসে মেলা, যতদিন যাচ্ছে, ততই বেড়েছে এই পুজোর সুনাম। জল পথে ও স্থল পথে নদিয়া, হুগলী ও বর্ধমান সহ কলকাতা এমনকি দেশ বিদেশ থেকে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ পূর্ণার্থীরা ভিড় জমান এই পুজোয়। জাগ্রত দেবীর কাছে যে যা মানত করেন তা পূরণ হয়, এমনি বিশ্বাস ভক্তদের। চারদিন ধরে চলে এই পুজো। এই পুজোয় দুর্গা পুজোর মত নিয়ম মেনেই পুজো করা হয়।শুধু কালনা নয় আশ পাশের জেলার মানুষের কাছে মহিষমার্দ্দিনী পুজোদূর্গা উৎসবের সমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one × one =