সুমন পাত্র, ঝাড়গ্রামঃ- প্রান্তিকের হাত ধরেই সবুজ বিপ্লব কদমকাননে হ’ল বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতামূলক প্রচার। কিছু দিন আগে দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে ছিলো বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রান্তিক মৈত্র। একাধিক করোনা আক্রান্ত দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারের বাড়িতে ভুসিমাল সামগ্রী প্রদান থেকে শুরু করে যেখানে যে বিপদে পরেছে তড়িঘড়ি তার পাশে গিয়ে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঝাড়গ্রাম এর বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা কদমকানন ইউনাইটেড ক্লাবের সম্পাদক প্রান্তিক মৈত্র। মূলত করোনা আক্রান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে সে। অন্যদিকে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের বাড়ি বাড়ি কখনো সবজি, কখনো বা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িতে ত্রিপল নিয়ে হাজির হয়েছে প্রান্তিক এবং তার টিমের সদস্যরা।

ঝাড়গ্রাম শহরে এক উজ্জ্বল নাম প্রান্তিক ওরফে বুলেট। তার কর্মে সে পরিচিত একটি মুখ। কদমকানের এলাকার ঘরের ছেলে প্রান্তিক কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করেছে। তারপর ফিরে এসেছে মাটির টানে তার নিজের জন্মভূমি ঝাড়গ্রামে। কলকাতায় হয়তো সে কোন কর্পোরেট সেক্টরে চাকরি করতে পারতো কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছে শক্তি তাকে ফিরিয়ে এনেছে সেই মাটিতে, তার জন্ম ভূমিতে।

জন্মভূমির টানে একাধিক এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছেন তিনি নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছুদিন আগে প্রায় একশো জন পরিবারের বাড়িতে সবজি পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। প্রান্তিক মৈত্রের উদ্দেশ্য একটাই সবাই যাতে শান্তিতে থাকে এবং করোনার মহামারী পরবর্তী পরিস্থিতিতে যাতে আমরা সবাই একে অপরের পাশে থাকতে পারি।

এ বিষয়ে স্থানীয় ঝাড়গ্রাম শহরের বাসিন্দা সত্যব্রত মল্লিক বলেন, করোনা আক্রান্ত প্রতিবেশীর ওষুধ পাচ্ছিল না। সে ওষুধের ব্যবস্থা করার জন্য প্রান্তিক বাবুকে ফোন করেছিলাম এক ঘণ্টার মধ্যে ওষুধ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তিনি। এক নম্বর ওয়ার্ডে প্রত্যেকটি নাগরিকের পাশে তিনি থাকেন।

এ বিষয়ে প্রান্তিক মৈত্র কে প্রশ্ন করা হলে স্পষ্ট বলেন, ঝাড়গ্রাম পুরসভার ১নং ওয়ার্ড কদম কারণের মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মূল লক্ষ্য। মানুষ কর্নার জেরে অনেক অসহায় মানুষের পাশে মানুষ হিসেবে সকলেরই দাঁড়ানো উচিত আমি সেই কাজ টুকুনি করছি মাত্র।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nineteen + two =