অলোক আচার্য, নব বারাকপুরঃ- প্রাচীর ঘেরা নিজস্ব প্রাঙ্গণে কোভিড বিধি মেনে পালিত হল বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘের রথযাত্রা। এটি একটি মহিমান্বিত গৌরবশালী রথযাত্রা। সকাল থেকেই জগন্নাথদেবের বিশেষ পূজাযজ্ঞের পর বিকেলে রথে আরােহন করেন জগন্নাথদেবের আদিচতুৰ্ধার মূর্তি। ঝাড়খণ্ড, ত্রিপুরা, সিকিম, পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের রাজ্যপালগণের একজনকে প্রধান অতিথিরূপে আমন্ত্রণ করা হয় রথযাত্রার সূচনা করার জন্য। বিগত দুই বছরে করােনার কারণে সেই প্রথায় ছেদ পরছে।

এবছর সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় উত্তর দমদমের বিধায়ক এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পৌর ও নগরউন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও পরিকল্যণ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা পূজ্য শ্ৰীসমীরেশ্বর ব্রহ্মচারী মহারাজ ৬ফুট লম্বা রৌপ্য ঝাড়ুতে ঝাড়ু দিয়ে পথমার্জনা করে রথযাত্রার সূচনা করেন।

উপস্থিত ছিলেন মানিকচকের বিধায়ক প্রাক্তন রাজ্যমন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র, নিউ ব্যারাকপুর পৌরসভার মুখ্য প্রশাসক তৃপ্তি মজুমদার, প্রবীর সাহা, সুমন দে, জয়গােপাল ভট্টাচার্য এবং সুখেন মজুমদার।

যেহেতু এই রথযাত্রায় রথ আশ্রমের সীমানার বাইরে বের হয় না কেবল আশ্রমের প্রাচীর ঘেরা প্রাঙ্গণেই পরিভ্রমণ করে তাই কেবলমাত্র সীমিত সংখ্যক আশ্রমিক ও ভক্তদের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই রথযাত্রা সম্পন্ন হয়। এবার কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে যাঁদের দুটো টিকা নেওয়া হয়ে গেছে তাদের শংসাপত্র দেখিয়ে, এবং দুই দিন পূর্বেকার কোভিড পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট দেখিয়ে রথযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়। মাস্ক, দুরত্ববিধির বজায় রাখার প্রতিও দৃষ্টি দেওয়া হয়। বিগত বছরেও বহিরাগতদের বাদ দিয়ে মাস্ক ইত্যাদি ব্যবহার করে দুরত্ববিধি বজায় রেখে কেবল আশ্রমের আবাসিকদের অংশগ্রহণে রথযাত্রা সম্পন্ন হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আশ্রম প্রতিষ্ঠাতা শ্রীসমীরেশ্বর ব্রহ্মচারী।