পুজোর উন্মাদনার সঙ্গে চাই নিরাপত্তাও

0
Advertisement

অগ্নিভ ভৌমিক, কলকাতা :- দুর্গাপুজোর ঢাকে কাঠি পড়তে আর মাত্র কয়েকদিন। তারপরই সমগ্র বাংলা মেতে উঠবে বাঙালীর সবচেয়ে বড়ো উৎসব দুর্গাপুজোর উন্মাদনায়। তাই নিয়ে বাঙালীর মনে উত্তেজনাও ঊর্ধ্ব গগনে। জোরকদম চলছে পুজোর কেনাকাটাও। কারোর কেনাকাটা সারা হয়ে গেছে। কেউবা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে। আর যাই হোক ‘দুর্গাপুজো’ বলে কথা। আগের বছর যা করে ওঠা হয় না। তা এই বছর করে ফেলার ইচ্ছেটুকু সম্বল। তার জেরেই এখন কলকাতার রাস্তায় পা ফেলা দেয়। দোকানে দোকানে ভিড় উপছে পড়ছে। ‘সেলে’র সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষের চাহিদাও।
তেমনি অন্যদিকে পুজা প্যান্ডলগুলোর থিমের ধুম। প্রতিবছরের ন্যায় এইবছরও পুজো কমিটিগুলো নতুন আঙ্গিকে বাংলার দুর্গাপুজোকে তুলে ধরছে বিশ্বের দরবারে। আর এই দুর্গাপুজোর পাঁচদিন ধরে চলে পুজো কমিটিগুলোর থিমের এক মিষ্টি প্রতিযোগিতা। যা দেখতে সমগ্র ভারত তথা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ পাড়ি জামায় বাংলায়। একই ছাদের তলায় মেতে ওঠে সারা বাংলা।
আলোয় মোড়া শহর আর উপচে পড়া দর্শনার্থীর ভিড় সঙ্গে ঢাকের আওয়াজে, এক অনন্য রূপ ফুটে ওঠে বাংলার।
এই চরম উত্তেজনা ও উন্মাদনার মাঝে চাই নিরাপত্তাও। আর সেই জন্যই প্রশাসনও উঠেপড়ে লেগেছে দুর্গাপুজোর পাঁচদিনকে সুরক্ষার চাদরে মুড়ে ফেলতে। বাইরে থেকে দর্শনার্থীরা আসেন। তাই পুজোর কটা দিন নিরাপত্তা জোরদার করতে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে হাওড়া সিটি পুলিসও। দর্শনার্থীরা যাতে নিরাপদে মণ্ডপে মণ্ডপে পুজো দেখতে পারেন তার জন্য শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিসি সহায়তা কেন্দ্র থাকবে। পুজো মণ্ডপের কাছাকাছি এলাকায় সাদা পোশাকের পুলিস মোতায়েন থাকবে। ইভটিজিং রুখতে মহিলাপুলিসও থাকবে রাস্তায়।
তাই সবনিয়ে বাঙালীর এইবারের দূর্গাপূজো যে গতবারের থেকেও সেরা হতে চলছে সেই নিয়ে সন্দেহ নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

7 − 3 =