সানওয়ার হোসেন, খেজুরি :- গত ৮ জুলাই টিউশনির উদ্যেশ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় খেজুরির তালপাটি কোস্টাল থানার ওয়ালিশচকের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ পাত্র (১৭)। ছেলে সময় মতো বাড়িতে না ফেরায় বিশ্বজিতের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ জানান, তাতেও কোনো ফল হয়নী। বিশ্বজিৎ দক্ষিণ খেজুরি বাণী মঞ্চ হাই স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। ছেলেটি বাড়ির কাছাকাছি ওয়ালি চকের অমৃত ভারতী স্কুল আছে, হটাৎ এদিন ওই স্কুলের পিছন থেকে প্রচন্ড দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় এলাকাবাসীরা চারিদিকে তল্লাশি করতে শুরু করে। এরপর দুর্গন্ধর উৎস খুঁজতে গিয়ে স্কুলের পেছনদিকে সেপটিক ট্যাংক খুলতে সবার চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়। দেখা যায় সেফটি ট্যাংকের মধ্যে রয়েছে একটি পচা গলা দেহ। তৎক্ষনাতই এলাকাবাসীরা খেজুরি থানায় খবর দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে খেজুরি তালপাটি কোস্টাল থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধারের পর তার পরনে পোশাক দেখে ছেলেটির সনাক্ত করেন মৃতের পরিবার। এর পরেই শুরু হয় চরম বিক্ষোভ। স্থানীয় গ্রামবাসীর অভিযোগ ৮ জুলাই বিশ্বজিৎকে খোঁজাখুঁজির পর অমৃত ভারতী স্কুলের সামনেথেকে বিশ্বজিৎ এর সাইকেল উদ্ধার হয়। ১০ জুলাই থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। ১১ জুলাই পুলিশ এই ঘটনায় এফআইআর করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ পুলিশ কোন তদন্ত করে নি। তারপর আজ স্কুলের পিছনের সেফটি ট্যাংক থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা খুন করা হয়েছে বিশ্বজিৎকে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। কিন্তু কে বা কি কারণে মারলো টা এখনও স্পষ্ট নয়।