অলোক আচার্য, নিউ বারাকপুরঃ- জেলা জুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ। ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে নাগরিক সচেতনতায় পথে নামল নিউ বারাকপুর পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটিও। ডেঙ্গু উপদ্রব কমাতে বুধবার সকালে নিউ বারাকপুর পুরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে ডেঙ্গু বিজয় অভিযানে ওয়ার্ডের বিলকান্দা পশ্চিম মাসুন্দা চড়কমাঠ, পল্লী মঙ্গল টোটো স্ট্যান্ড, কলেজ পাড়ায়, সাজিরহাট ঝিল পাড়ের পাশ দিয়ে, ৬ ও ৭নং ওয়ার্ডের বর্ডার শেষে শান্তি সংঘ হয়ে ৭নং ওয়ার্ডের বিবেক সংঘ দলীয় কার্যালয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা সহ রাস্তায় অলি গলিতে ঝুপড়িতে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে মশা মারার তেল স্প্রে করা হয়েছে, টোটো মাইকিং করে নাগরিকদের সচেতন করা হয়।

মাইকিং করে জনস্বাস্থ্য সচেতনতায় সচেতন করেন ওয়ার্ডের নাগরিকরা। বুধবার সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত চলে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান। উপস্থিত ছিলেন ৭নং ওয়ার্ডের কোঅর্ডিনেটর মনোজ সরকার সহ স্থানীয় ওয়ার্ডের সকল কর্মী সমর্থকরা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

কোঅর্ডিনেটর তথা লড়াকু তৃণমূল ছাত্র নেতা মনোজ সরকার জানান, নিউ বারাকপুর শহরকে ডেঙ্গু মুক্ত করতে উপদ্রব কমাতে সমস্তরকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে। পুরসভার ৭নং ওয়ার্ড কমিটির উদ্যোগে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে মশা মারার তেল স্প্রে করে মাইকিং করে জনস্বাস্থ্য সচেতনতা অভিযান করা হল এদিন ওয়ার্ডের সকল নাগরিকের ঐক্যবদ্ধ করে। ধারাবাহিক ভাবে চলবে এই জনসচেতনতা অভিযান। এদিন ডেঙ্গু মুক্ত করতে উপদ্রব কমাতে ৭নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তায় জঞ্জাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা সাফাই অভিযান করা হয় পুরসভার পক্ষ থেকেও।

ডেঙ্গু দায়িত্ব প্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী সুনিল রঞ্জন দাস জানান, নিউ বারাকপুর শহর ডেঙ্গু মুক্ত। উপদ্রব কমাতে পুরসভার পক্ষ থেকে নানাবিধ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ওয়ার্ডে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, রাস্তাঘাটে সাফাই অভিযান, ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে জনস্বাস্থ্য সচেতনতা, মশা মারার তেল স্প্রে করা, ফগিং মেশিন স্প্রে, স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফুল গাছের টবে, টায়ার টিউবে জমা জল নিয়ে বাসিন্দাদের সচেতন করা, ড্রেনে জঞ্জাল আর্বজনা পরিচ্ছন্নতা করার কাজ চলছে জোরকদমে।

প্লাকার্ড ফেস্টুন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু মুক্ত শহর গড়ে তুলতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা করা হচ্ছে। ওয়ার্ডের কোঅর্ডিনেটর, পুরসভার মুখ্য প্রশাসক, কার্যনির্বাহী আধিকারিক সহ স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, পুরসভার স্বাস্থ্য আধিকারিক, নোডাল অফিসার, স্বাস্থ্য কর্মীরা এগিয়ে এসে সহযোগিতা করছেন সপ্তাহব্যাপী।