অলোক আচার্য, নিউবারাকপুর :- নিউ বারাকপুর পুরসভার উদ্যোগে পুর এলাকায় এবছর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে ৭৫% নম্বর প্রাপ্ত কৃতী ও মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের সংবর্ধিত করা হয় স্হানীয় কৃষ্টি প্রেক্ষাগৃহে। সোমবার বিকেলে। ১জুলাই পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ড: বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম মৃত্যু দিন উপলক্ষ্যে দিনটি চিকিৎসক দিবস হিসাবে পালিত হয়। বিধান চন্দ্র রায়ের প্রতিচ্ছবিতে মাল্যদান করে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন নিউবারাকপুর পৌরসভার পুরপ্রধান তৃপ্তি মজুমদার। কৃতী পড়ুয়াদের উৎসাহিত করতে উপস্হিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মন্ত্রী কৃতী পড়ুয়াদের উদ্দেশ্য বলেন কৃতিত্ব দেখিয়েছ বলে কৃতী হয়েছো তাই সংবর্ধিত হয়েছ।পৌরসভার কাজ পুর পরিষেবা মানে রাস্তাঘাট জল আলো পরিষেবা শেষ নয়, সুনাগরিক তৈরি করা ও পৌরসভার কাজ। কৃতীদের উৎসাহিত করার ভিত তৈরি হয় বলেন মন্ত্রী। আজকের দিনটি অত্যন্ত বিশেষ দিন চিকিৎসক দিবস। বাংলার মানুষ ভারতবর্ষের মানুষরা বাংলার রূপকার বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম মৃত্যু দিন শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করছে। আজকের দিনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এস এস কে এম হাসপাতালে একটি বড় ট্রমা সেন্টার ২৪৪শয্যার উদ্বোধন করা হয়। বাংলার মানুষকে নতুন উপহার দিলেন চিকিৎসক দিবসে। পাশাপাশি প্রবীন চিকিৎসক দের সন্মানিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে বিধানচন্দ্র রায়ের প্রতিচ্ছবিতে মাল্যদান করে শ্রদ্বার্ঘ জানান মুখ্যমন্ত্রীও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সহ চিকিৎসকেরা। কৃতী পড়ুয়াদের অভিভাবকদের উদ্দেশ্য মন্ত্রী বলেন রাজ্য সরকার কৃতী মেধাবী পড়ুয়াদের ত্রগিয়ে নিযে যাচ্ছে বিবেকানন্দ সহ বিভিন্ন স্কলারশিপের মধ্যে দিয়। সেই সুযোগটাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাবেন। অন লাইনে ফর্ম ফিলআপ করে উচ্চ শিক্ষায় পড়াশুনায় এগিয়ে যাবে কৃতীরা। কৃতীরা নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয় অভিভাবকরা দেখবেন। মুখ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে সবসময় রয়েছেন। নববারাকপুরের পাশে ছিলাম আছি থাকব। নিশ্চিতভাবে বলছি সাধ্যমতো করার চেষ্টা করব এলাকার উন্নয়নে। নব বারাকপুরের কৃতী পড়ুয়ারা সারা ভারতবর্ষে আন্তজার্তিক ক্ষেত্রে দশের মধ্যে এক নম্বর হবে। ভালো রাখতে হবে ভালো করতে হবে চিকিৎসক দিবসের অঙ্গীকারে আজ অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। এছাড়াও উপস্হিত ছিলেন নিউ বারাকপুর পুরসভার উপ পুরপ্রধান মিহির দে,চিকিৎসক ডা: চন্দন চ্যাটার্জি,পুরদলনেতা প্রবীর সাহা সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরগন। এদিন পুর এলাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ২৯৫জন কৃতী পড়ুয়াদের সংবর্ধিত করা হয়।উল্লেখ্য মাধ্যমিকে ছেলেদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে কলোনি বয়েজ হাই স্কুলের ছাত্র কৌনক দত্ত(৬৭১) এবং মেয়েদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে কলোনি গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী মৌলি রায় চৌধুরী (৬৪৭)। উচ্চমাধ্যমিকে মেয়েদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে কলোনি গার্লস হাই স্কুলের অদৃজা সাহা(৪৭৯) এবং ছেলেদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে কলোনি বয়েজ হাই স্কুলের রাকেশ কুমার দে(৪৬০)। পুরসভার কর্মীদের ছেলে মেয়েরাও জেলা ও রাজ্যস্তরে মেধা তালিকায় সুনামের সঙ্গে কৃতীত্ব অর্জন করেছেন। এরাই এলাকাবাসীর গর্ব।