নিউ বারাকপুরে স্কুল পড়ুয়াদের দাবা প্রতিযোগিতা

0
Advertisement

অলোক আচার্য, নিউ বারাকপুর :- শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যার শিক্ষা নয়। এর বাইরে গিয়েও স্কুল পড়ুয়াদের সামগ্রিক শিক্ষার সম্পূর্ণতা প্রকাশে ও মেধা বৃদ্ধিতে এক বিরাট সারা বাংলা বিদ্যালয়ভিত্তিক দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে উত্তর ২৪ পরগণা জেলার নিউ বারাকপুর কলোনি বয়েজ হাই স্কুল। মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হয় লিগ পর্যায়ের ফিডে রাপিড দাবা প্রতিযোগিতা। জেলার নামিদামী ইংরাজী ও বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয় থেকে ১৯১জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। বেঙ্গল চেস ত্রসোসিয়েশন উত্তর ২৪ পরগণা জেলার প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত জাতীয় দাবাড়ুদের তত্বাবধানে স্কুল পড়ুয়াদের বয়সভিত্তিক অর্নুধ্ব ৬,অর্নুধ্ব ৮,অর্নুধ্ব ১০ এবং অর্নুধ্ব ১২ বিভাগে বালক বালিকাদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স দুই স্কুলকে সুদৃশ্য ট্রফি ও বিজয়ী ২৫জনকে নগদ আর্থীক পুরস্কার প্রদান করা হয়।

সকালে প্রদীপ প্রজ্বলন করে দাবা প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন আন্তর্জাতিক দাবাড়ু দেবাশিষ বড়ুয়া ও আইএফত্র প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস সাব কমিটির সদস্য তথা নিউ বারাকপুর রেনবো অ্যাথলেটিক ক্লাবের সভাপতি সুখেন মজুমদার। উপস্হিত ছিলেন কলোনী বয়েজ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ড. অনিরুদ্ধ বিশ্বাস,বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি নির্মল বসু সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক পার্থ প্রতিম ঘোষাল,নিতুন বিশ্বাস,বিশ্বজিৎ রায় প্রমুখ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড অনিরুদ্ধ বিশ্বাস বলেন ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ধৈর্য কমে যাচ্ছে।

পড়াশুনার মনোসংযোগে ধৈর্য বৃদ্ধি করার উপায়ে পুথিগত বিদ্যাশিক্ষার বাইরে গিয়ে এই স্কুল পড়ুয়াদের দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন। সামগ্রিক শিক্ষার সম্পূনর্তা পাবে। মেধার উৎকর্ষতা বাড়বে। সুখেন মজুমদার বলেন, বিদ্যালয় পঠনপাঠনের পাশাপাশি জেলা ও রাজ্যস্তরে মেধা ও খেলাধূলায় যথেষ্ট এগিয়ে। আন্তঃ স্কুল ফুটবলে ও সুনাম রয়েছে নির্মল বিদ্যালয় পুরস্কার প্রাপ্ত বিদ্যালয়ের। জেলাস্তরে বিতর্ক ও ছাত্র সংসদ প্রতিযোগিতাতেও শীর্ষে রয়েছে জেলার স্কুল। বেঙ্গল চেস ত্রসোসিয়েশনের দাবাড়ুদের তত্বাবধানে স্কুলের এই দাবা প্রতিযোগিতায় পড়ুয়াদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা মানবিক ধৈর্যের বিকাশ ঘটাবে নি:সন্দেহে। বিদ্যালয়ের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। রাজা মন্ত্রী ঘোড়ার আড়াই প্যাচের চাল মেধার বিকাশ ঘটাবে। নিউ বারাকপুর কলোনি বয়েজ হাই স্কুলের পড়ুয়াদের বিশেষ ভাবে পদক দিয়ে সন্মানিত করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক অম্লান দাশগুপ্ত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 × 1 =