অলোক আচার্য, নিউ বারাকপুরঃ- ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে রবিবার নিউ বারাকপুর কলোনী বয়েজ হাইস্কুল ও অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে হল রক্তদান শিবির। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতাল ব্লাড ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় শিবিরে ৪১ জন রক্তদান করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের ভ্রাম্যমান শীততাপ নিয়ন্ত্রিত মোবাইল ভ্যানে।

উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ও অবসরপ্রাপ্ত বর্ষীযান শিক্ষক পূর্ণেন্দু বসু, বরুন চন্দ্র দেবনাথ, ডাঃ পংকজ কুমার অধিকারী, প্রাক্তনী প্রবীর সাহা সহ বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ও বর্তমান শিক্ষক শিক্ষিকা পরিচালন সমিতির সভাপতি শিক্ষাবিদ নির্মল বসু প্রমুখ।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডঃ অনিরুদ্ধ বিশ্বাস জানান, বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে করোনা অতিমারি আবহে গ্রীষ্মকালীন রক্ত সংকটে মোচনে বিদ্যালয়ের অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এই পঞ্চম বর্ষ রক্তদান শিবির।একদিকে করোনা অতিমারি অপরদিকে রাজ্যের আত্মশাসনে লকডাউনে বন্ধ স্কুল কলেজ। ব্লাড ব্যাঙ্ক গুলিতে চলছে রক্তের ঘাটতি। জেলা জুড়ে চলছে রক্তদান শিবির। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পাশাপাশি গ্রীষ্মকালীন রক্ত সংকট মোচনে এগিয়ে এসে রক্তদান শিবির করল নিউ বারাকপুর কলোনী বয়েজ হাইস্কুল ও বিদ্যালয়ের অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তনী সংসদরা ।মানবিক দানে মহৎ কাজ করল বিদ্যালয়ের অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তনী সংসদরা ।

যারা রক্তদান করেন তারা রক্তদাতা। রক্তদাতাদের যাতে কোন ঘাটতি না ঘটে সেই দিকে লক্ষ্য রেখে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পাশাপাশি গ্রীষ্মকালীন রক্ত সংকট মোচনে করোনা অতিমারি আবহে এগিয়ে এসে রক্তদান শিবির করল নিউ বারাকপুর কলোনী বয়েজ হাইস্কুল ও বিদ্যালয়ের অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তনী সংসদরা।রবিবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রক্তদান শিবির সূচনা করেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ও বর্ষীয়ান অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পূর্ণেন্দু বসু। কোভিড প্রোটোকল মেনে শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে সকলেই মাস্ক পরে স্যানিটাইজার করে রক্তদান করেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী বর্তমান ছাত্র শিক্ষক শুভানুধ্যায়িরা। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতাল ব্লাড ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় শিবিরে ৪১ জন রক্তদান করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের ভ্রাম্যমান শীততাপ নিয়ন্ত্রিত মোবাইল ভ্যানে ।