নিউ বারাকপুরে নান্দনিক নিবেদিত ‘বর্ষামঙ্গল’

0

অলোক আচার্য, নিউবারাকপুর :- নান্দনিক। নামের মধ্যে রয়েছে একটা আলাদা মাধুর্য আন্তরিকতা। নন্দন থেকে নান্দনিক। যা কিছু সুন্দর তার পরিপূর্ণ রুপ। উত্তর ২৪ পরগণা জেলার নিউবারাকপুরের বহুমুখী সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মূলত রবীন্দ্রনাথ, অতুলপ্রসাদ, রজনীকান্ত, দ্বিজেন্দ্রলাল ও নজরুলের গানের শিক্ষা কেন্দ্র। রবিবার নান্দনিক নিবেদিত বর্ষামঙ্গল সঙ্গীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল স্হানীয় রামকৃষ্ণ পাঠাগার বিবেকানন্দ সভাগৃহে। বিশেষ আকর্ষন গীতি আলেখ্য ” বাদল -ধারা হল সারা “। রবীন্দ্রনাথ,নজরুল,দ্বিজেন্দ্রলাল ও অতুলপ্রসাদের গান সহযোগে আলেখ্য সংকলনে ছিলেন শিক্ষাবিদ পূর্ণেন্দু বসু। পরিকল্পনা,সংগীত চয়ন ওপরিচালনায় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ তপন কুমার দে। গ্রন্হনা ও উপস্হাপনায় শিল্পী সৌমি হোড় ও আবৃত্তিকার বাচিক শিল্পী সমীর চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গীতাংশে ছিলেন নিখিল কুমার মন্ডল,স্বপন বিশ্বাস,তাতসী দাস,আবৃত্তি ধর,উপমা ঘোষ,সৌমী হোড়,দেবযানী চক্রবর্তী, মানসী বন্দ্যোপাধ্যায়, রুপশ্রী ওয়াদ্দাদার,শুচিস্মিতা চক্রবর্তী,শাঁওলী বসু, মিত্রাতিথী দে,শর্মিষ্ঠা দেবনাথ,মল্লিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, অমৃতা পালিত ও তপন কুমার দে। শিল্পীদের সুরেলা কন্ঠে শব্দ চয়নে বর্ষামুখর গান গুলি দর্শকদের মুগ্ধ করে। তপন দের কন্ঠে ‘ এসো হে সজল ঘন শ্যাম দেয়া.. ‘আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার.. ‘স্বপন বিশ্বাসের অতি মরমী কন্ঠে মন মোর মেঘের সঙ্গী.. বেশ সাবলীল। মিত্রাতিথী দের কন্ঠে বিশ্ব বীনা রবে বিশ্ব জনমহি দে.. ‘ কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি.. উপস্হাপনা সুন্দর। এছাড়াও তাতসী দাসের কন্ঠে রিমিঝিম রিমিঝিম নামিল দেয়া.. ‘দেবযানী চক্রবর্তীর গান ঐযে ঝড়ের মেঘে কোন বৃষ্টি আসে.. পরিবেশন ছিল ভালো।

রুপশ্রী ওয়াদ্দাদার এর সুরেলা কন্ঠে আজি হৃদয় আমার যায় যায় হে ভেসে বেশ মর্মষ্পর্শী। এছাড়াও অমৃতা পালিতের কন্ঠে আজ শ্রাবনের আমন্ত্রণে দুয়ার কাপেঁ.. বেশ চমৎকার। মোর ভাবনারে কি হাওয়ায় মাতালো.. শাঙন গগনে ঘোর ও ঘনঘটা জনপ্রিয় দরদি কন্ঠে গানগুলি দর্শকদের মুগ্ধ করে। শুরতে সংবর্ধিত করা হয় প্রবীণ সাহিত্যিক সুগায়ক সংগীতাচার্য তিমির বরণ চক্রবর্তীকে। শঙ্খ ধ্বনি দিয়ে আবাহন করে তিমির বরন চক্রবর্তীকে কপালে চন্দনের টিপ দিয়ে বরনের পর হাতে ফুল মালা নানাবিধ ফল উপহার উত্তরীয় দিয়ে সন্মানিত করেন নান্দনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রথতিযশা শিল্পীরা। মানপত্র স্মারক সন্মান তুলে দেন অধ্যক্ষ তপন কুমার দে। সঞ্চালনা করেন বাচিক শিল্পী সমীর চট্টোপাধ্যায়। স্হানীয় দর্শকদের উপস্হিতী ছিল লক্ষ্যনীয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

fourteen + 12 =