অলোক আচার্য, নব বারাকপুরঃ- নব বারাকপুর পুরসভা সার্বিক ভাবে এগিয়ে চলেছে। এলাকার উন্নয়নে বিশেষ ভাবে দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন। মানুষের অধিকার পাইয়ে দেওয়ার কাজ। ভাবা যায় না। ছোট পুরসভা কিন্তু কাজ অনেক বড়। তপশিল জাতি উপজাতি অনগ্রসর ভাই বোনেদের শংসাপত্র পৌঁছে দিচ্ছেন। পাশাপাশি হকারদের এককালীন দু হাজার টাকা অনুদান তুলে দিচ্ছে পুরসভা। জাতিগত শংসাপত্র পেতে হয়রানি হতে হত। মানুষ কে অপেক্ষা করতে হয় না। পরিকল্পনা সরলীকরণ করে সহজেই মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। মা বোনেরা সহজেই পাঁচশত বা এক হাজার টাকা অনুদান পাচ্ছেন বিভিন্ন প্রকল্পের। মা বোনেদের ভাইদের অধিকার পাইয়ে দেওয়া এটাই বড় কাজ। অধিকার পাইয়ে দেওয়া জরুরি। সেই কাজটাই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। দ্বিতীয় বার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। দিনরাত পরিশ্রম করছেন। মানুষের পাশে থেকে ২৪ ঘন্টার পরিষেবা চালু করছেন। সরকারের কাজের মর্যাদা দিয়ে আধিকারিক রাও ২৪ ঘন্টার কাজ করছেন। পুলিশ রাও রাত ভোর কাজ করছেন বাংলার উন্নয়নে। বাংলা একদিন জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠত্ব আসন পাবে নিশ্চিত ভাবে তৈরি। মুখ্যমন্ত্রী কখনও ইতিবাচক কাজে অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করেন না। ইতিবাচক কাজে প্রথম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাবনা।

রবিবার বিকেলে নব বারাকপুর পুরসভার কৃষ্টি প্রেক্ষাগৃহে এলাকায় উন্নয়নের কাজকে ত্বরান্বিত করতে পুর এলাকার একাধিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে কথা গুলি বলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। পুর এলাকার এসসি এসটিদের শংসাপত্র প্রদান, হকারদের এককালীন ভাতা প্রদানের পাশাপাশি রিমোট সুইচ অন করে পুর এলাকার বিভিন্ন রাস্তাঘাট সংস্করণ ও পুকুরের সৌন্দর্যায়ন এর শুভ উদ্বোধন করেন মন্ত্রী এদিন ।শহরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবার জন্য সাফাই কর্মীদের হাতে ঝাটা তুলে দেন মন্ত্রী স্বয়ং।

উপস্থিত ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের যুগ্ম সচিব অরুপ রতন মুখোপাধ্যায়, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি ঘোলা শান্তব্রত চন্দ, নববারাকপুর থানার ওসি বিজয় কুমার ঘোষ, প্রাক্তন পুরপিতা সুখেন মজুমদার, পুরসভার উপ প্রশাসক মিহির দে, প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য জয়গোপাল ভট্টাচার্য, সুমন দে, নির্মিকা বাগচী, প্রাক্তন পুরপ্রধান তৃপ্তি মজুমদার সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কোঅর্ডিনেটরা ও পুরসভার কার্যনির্বাহী আধিকারিক, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ শংকর সিংহ রায়, সিটি ম্যানেজার ড. তপন কুমার জানা সহ পুরসভার বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিক ও পুর কর্মচারীরা।

এদিন ৫০৩ জনকে তপশিল জাতি উপজাতি শংসাপত্র প্রদান করা হয়। এলাকার ৪০০ হকারদের এককালীন দু হাজার টাকা অনুদান এবং পুরসভার ২০ টি ওয়ার্ডের ২৫ জন ঝাড়ুদার নিয়োগ করা হয়। রাজ্য নগর জীবিকা মিশনের গ্রীন সিটি মিশন প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় পুর এলাকায় নয় টি ওয়ার্ডের পুকুরের সংস্করণ ও সৌন্দর্যাযন করার শুভ উদ্বোধন করেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুরসভার মুখ্য প্রশাসক প্রবীর সাহা। শুরুতে মঙ্গলদ্বীপ প্রজ্বলন করে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। অতিথি বরণের পর পুরসভার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কর্মসূচি উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।কৃষ্টি প্রেক্ষাগৃহে কানায় কানায় পূর্ন। উদ্বোধনকে ঘিরে নাগরিকদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।