অলোক আচার্য, নববারাকপুরঃ- শরীরচর্চার জন্য সাঁতার প্রয়োজন। সুস্বাস্থ্য রক্ষায় শরীরচর্চার পাশাপাশি সাঁতার অবশ্যই শেখা দরকার ছোট থেকে বড় সকলের। শরীর সুস্থ থাকবে। মনন বিকাশ ও হবে। রবিবাসরীয় সকালে নববারাকপুর সন্তরণ সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আঠারো তম বার্ষিক জল ক্রীড়া সাঁতার প্রতিযোগিতায় খুদে থেকে অভিভাবকদের উন্মাদনা উচ্ছ্বাস ছিল লক্ষনীয় ।

রবিবাসরীয় সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে সাঁতার প্রতিযোগিতা। ৪৫ টি বিভিন্ন ইভেন্টে ১৫৩ জন বিভিন্ন বয়সের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগিতারা অংশগ্রহণ করেন এদিন। পুরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ৪নং ঝিলে এই সাঁতার প্রতিযোগিতা চলে। ৩০ মিটার ফ্রি স্টাইল, ব্যাক স্ট্রোক, বাটারফ্লাই, ব্রেস্ট স্ট্রোকে রিলে বিভিন্ন বয়সের ছেলে মেয়েরা অভিভাবক রা অংশগ্রহণ করে।

উপস্থিত থেকে খুদেদের উৎসাহিত করেন পুরসভার পুরপ্রধান প্রবীর সাহা, উপ পুরপ্রধান স্বপ্না বিশ্বাস, পুর প্রতিনিধি সুদীপ ঘোষ, শোভা রায়, বেবি চক্রবর্তী সহ বিভিন্ন ক্রীড়বিদরা।খুদেদের হাতে সুদৃশ্য ট্রফি মেডেল ও শংসাপত্র তুলে দেন জল ক্রীড়া মিটের কোঅর্ডিনেটর জওহর গুহ, সুবোধ চন্দ্র সিনহা, মৃনাল কান্তি ঘোষ, প্রলয় সরকার, কেদারেশ্বর দাস, সুজিত দাস সহ সংস্থার প্রশিক্ষকরা।

সংস্থার পক্ষে জওহর গুহ বলেন, ভালো সাঁতারু তৈরি করার লক্ষ্যে ২০০৩ সাল থেকে শুরু সন্তরণ সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বহু শিক্ষার্থী ইতিমধ্যেই জেলা স্তরে বিভিন্ন বয়সে সাঁতার প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেয়েছে। দীর্ঘ দু বছর করোনা অতিমারি আবহেও বার্ষিক জল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় নি। বারাসত বারাকপুর সাউথ জোন স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন অনুমোদিত প্রশিক্ষণ সংস্থা। আর্থিক ভাবে দুর্বল ছেলে মেয়েদের জন্য মাত্র দশ টাকার ভর্তির সুব্যবস্থায় রয়েছে। সাঁতার জল ক্রীড়ায় খুদে থেকে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো এদিন। বিচারকদের মধ্যে ছিলেন বিকাশ চ্যাটার্জী, অরিন্দম ভট্টাচার্য, রনজিৎ রায় চৌধুরী, শৈলেন ঘোষ, স্বপন সাহা, প্রলয় বিশ্বাস প্রমুখ ।