অলোক আচার্য, নববারাকপুরঃ- সোমবার সকালে নববারাকপুর পুরসভার ২নং ওয়ার্ডে বিদ্যাসাগর রোড ও হরিপদ বিশ্বাস রোডের সংযোগস্থলে পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের গ্লাস ফাইবারের আবক্ষ মর্মর মূর্তি প্রতিস্থাপনের উদ্বোধন করেন নববারাকপুর পুরসভার পুরপ্রধান প্রবীর সাহা।

পুরপ্রধান প্রবীর সাহা বলেন, পুরসভার প্রাক্তন পুর প্রতিনিধি শ্রদ্বেয় প্রয়াত মনোজ নিয়োগীর স্বপ্নকে বাস্তবে রুপদান করতে পারলাম। চিন্তাভাবনাকে বাস্তবে রুপদান করলেন পরের প্রজন্ম বর্তমান পুর প্রতিনিধি দেবাশিস মিত্র। এটা একটা বড় পাওনা বাস্তবে রুপদান করতে পারলাম। নিজেরা গৌরবান্বিত হলাম। আগামী প্রজন্মের কাছে মনীষীদের চিন্তা ভাবনা বেশি করে পৌঁছে দিতে পুরসভা শহরে মনীষীদের যথাযথ দায়িত্ব নিয়ে মনীষীদের জন্ম দিন পালন করেছে।

আজ বিদ্যাসাগরের ২০৩ তম জন্মজয়ন্তীতে পুরসভার উন্নয়নের পালকে নতুন সংযোজন পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আবক্ষ মর্মর মূর্তি প্রতিস্থাপন। পুরপ্রধান বলেন, বলতে দ্বিধা নেই রাজা রামমোহন রায় পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্ম না হত। পথ না দেখাতো। ভিন্ন রাজ্যে ব্যতিক্রম বাংলা নাবালিকা দলিতদে উপর অত্যাচার বাড় বাড়ন্ত দেখতে হত। বিদ্যাসাগর ছিলেন নবজাগরণের মূর্ত প্রতীক। নারী শিক্ষা প্রসারে বাল্যবিবাহ রদ বিদ্যাসাগরের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। তার পদাঙ্ক অনুসরন করে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার কন্যাশ্রী আজ ইউনেস্কো স্বীকৃত। দিদির হাত ধরে কন্যাশ্রী ভারতবর্ষে বিশ্ব জনীন। নারী শিক্ষা প্রসারে সারা বিশ্বের আলোয় আলোকিত হচ্ছে। স্বাধীনতার ৭৫ বছরে বাংলার দেশপ্রেমিকদের ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেন পুরপ্রধান।

উপস্থিত ছিলেন উপ পুরপ্রধান স্বপ্না বিশ্বাস, স্থানীয় পুর প্রতিনিধি দেবাশিস মিত্র, হৃষিকেশ রায় বেবী চক্রবর্তী সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের পুর প্রতিনিধি বিশিষ্ট গুণীজনেরা। উল্লেখ্য এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হল। পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৩ তম জন্মজয়ন্তীতে বিদ্যাসাগরের মূর্তি প্রতিস্থাপন হল। পুরসভার ২নং ওয়ার্ডের নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল বেশ ভালো মূর্তি উন্মোচনকে ঘিরে।