চঞ্চল মিস্তিরী, বাংলাদেশ প্রতিনিধি :- ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মোবাইল সীম ও মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে এবং রোহিঙ্গাদের অবৈধ ভাবে সীম প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে বিরুদ্বে জরিমানা ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
তারা মায়ানমারে জীবনেও কি এসবের কল্পনা করতে পেরেছিল? ওখানে তাদের চলাফেরা ও কথাবার্তার স্বাধীনতা ছিল? তাহলে এখানে এত স্বাধীনতা পেলে তারা ফিরে যেতে চাইবে? বরং ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে আলদা রাষ্ট্রই দাবী করে বসতে পারে!

২. ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা কোন এনজিওতে চাকুরী করতে পারবেনা। শরণার্থী আইনে চাকুরীর নিয়ম নাই। এখনই তাদের চাকুরী থেকে ছাটাই করতে হবে। যদি কোন এনজিও নির্দেশনা অমান্য করে চাকুরীতে বলবত রাখে তাদের বিরুদ্বে প্রত্যাবাসন বিরোধী ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
অনেক রোহিঙ্গা কলম ধরতে জানেনা অথচ বেতন ৪০/৪৫ হাজার! অনেকের আরো বেশি ! অনেকে ট্রেনিং এর নামে কক্সবাজার, ঢাকায় ফাইভস্টার হোটেলের আনন্দফুর্তিতে আছে, বিমানেও যাতায়াত! সত্যি আবাককরা কান্ড!
তাদের জন্য দাতা সংস্থা কর্তৃক দেয়া সাহায্যের অতিরিক্ত হওয়ায় অধিকাংশই তারা বিক্রি করে দেয়। এসব নিয়ে অসংখ্য আলাদা রোহিঙ্গা মার্কেট গড়ে উঠেছে ! তারপর ও তাদের উচ্চ বেতনে চাকুরী,ব্যবসাবাণিজ্য করার সুযোগ দিয়ে অর্থনৈতিক স্বনির্ভর করা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র হতে পারে!
তবে তারা স্বেচ্ছাসেবী হয়ে কাজ করতে পারে ত্রাণ বিতরণে ও স্বস্ব নির্মাণ কাজে।

৩. রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের দ্বারা গড়ে উঠা দোকান ও অন্যান্য ব্যবসা বানিজ‌্য বন্ধ ঘোষনা করতে হবে। তাদের সব কিছু ফ্রি ! তারা এর বাইরে চাকুরী,ব্যবসাবাণিজ্য করে স্বনির্ভর হলে স্বদেশে ফিরতে চাইবে? তাই তাদের চাকুরী, ব্যবসাবাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। যদি কোন নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তাদের বিরোদ্বে আইন ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের বাইরে যাওয়া-আসা ১০০% বন্ধ করতে হবে।

৫. দেশের ভেতরে আনাচেকানাচে বসত করা রোহিঙ্গাদের ধরে ক্যাম্পে হস্তান্তর করুন। অথবা একটা নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে ক্যাম্পে ডুকতে নির্দেশ প্রদান করুন। আইন অমান্যকারীদের জেল-জরিমানার কথা ঘোষনা দিন।

৬. স্থানীয়দের বাসাবাড়িতে কর্মরত রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে ডুকে যেতে নির্দেশ দিন। একটা নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে ক্যাম্পে ডুকতে এ নির্দেশ প্রদান করুন। আইন অমান্যকারী রোহিঙ্গা ও সংশ্লিষ্ট স্থানীয়দের বিরুদ্বেও জেলজরিমানার কথা ঘোষনা দিন।

৭. রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের বাইরে রাস্তাঘাটে, গাড়ীতে পাওয়া গেলে গাড়ীর ড্রাইভার, সহযোগী কে সহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষনা দিতে হবে এবং বাস্তবায়ন করতে হবে!

৮. রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের বাইরে রাস্তাঘাটে, গাড়ীতে,শহরে কোন রোহিঙ্গা পাওয়া গেলে যে বা যিনি তাদের পুলিশের বরাবর হস্তান্তর করতে পারবে তাকে / তাদের আর্থিক পুরুষ্কার ঘোষনা করতে হবে।
এরপর দ্রুত রোহিঙ্গাদের অপরাধ আমলে নিয়ে সাজা দিতে হবে। এতে অন্যরা সতর্ক হবে!

৯. প্রত্যাবাসনে বাধাসৃষ্টিকারী রোহিঙ্গা ও এনজিওর বিরুদ্বে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষনা দিতে হবে ।এবং বাধাসৃষ্টিকারী চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।
২/১ টা দ্রুত নিষিদ্ধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।

১০. আমাদের দেশের খেয়ে কিছু মানুষ ও কিছু মিডিয়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত । তাদের ও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

পরামর্শদাতা:
এডভোকেট: সাইফুদ্দিন খালেদ।
সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী।