সনাতন গরাই, দুর্গাপুর :- শ্বাসকষ্ট জনিত সম্যসা নিয়ে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে বৃহস্পতিবার ভর্তি হয়েছিল দুর্গাপুর মেনগেটের বাসিন্দা মমতা ঘোষ। শনিবার ভোর রাতে ফের হাসপাতালেই শুরু হয় একই সম্যসা। মমতা দাস যখন শাসকষ্টে ছটফট করছিল তখন নার্স ব্যাস্ত মোবাইলে।অক্সিজেনের মাস্ক যখন মমতা ঘোষকে দেওয়া হয় তার আগেই তার মৃত্যু হয়ে যায়। মৃতা মমতা ঘোষের মেয়ে প্রিয়া ঘোষের অভিযোগ কর্তব্যরত নার্সকে বাড়ে বাড়ে বলা সত্বেও সে মোবাইল নিয়েই মেতে থাকে।

মৃতার মেয়ে প্রিয়া ঘোষ জানাই আমি মায়ের সাথে সারাক্ষন সারাক্ষন ছিলাম।মা এর শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ার সাথে সাথে ঐ নার্সের কাছে যাই এবং তাকে অনুরোধ করি মা এর খুব কষ্ট হচ্ছে তাড়াতাড়ি আসুন, কিন্তু তখনো ওই নার্স মোবাইলে ব্যাস্ত।এছাড়াও প্রিয়া জানাই ঐ নার্স প্রথমে নিজে নিজেই অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে নিতে বলে।ঐ নার্স যখন মাকে দেখতে আসে তখন মৃত্যূ হয়ে যায় মায়ের বলে জানায়।

শনিবার সকালে রোগীর পাড়া প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং মহকুমা হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে।পরে পুলিশ এলে পুলিশকে ঘিরে ধরে প্রবল বিক্ষোভ দেখায়।অভিযুক্ত নার্স তনিমা পাণ্ডেকে আমাদের কাছে নিয়ে আসা হোক। এরপর অভিযুক্ত ওই নার্সের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়,অভিযোগ পত্র দেওয়া হয় হাসপাতালের সুপারকেও। অপরদিকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের ডেপুটি সুপার ইন্দ্রজিৎ মাঝি জানান, একটি বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছে,পুরো বিষয় খতিয়ে দেখে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরে রিপোর্ট পাঠানো হবে। শনিবার চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগীমৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের চিকিৎসাব্যাবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।