সনাতন গরাই, দুর্গাপুর :- দুর্গাপুরের এক বিজেপি নেতা বহুদিন ধরে অনেক মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্ক ছিল।ওই বিজেপি নেতা চিরঞ্জিত ধীবর রাজবাঁধের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা কাজে যুক্ত ছিল,অপরদিকে আর বিজেপি নেতা ওই অভিযুক্ত। অবৈধ সম্পর্ক বেশ চলছিল অন্য মহিলাদের সাথে।কিন্তু একসময় চিরঞ্জিত ধীবরের মোবাইল তার বউয়ের হাতে এসে পড়ে।ব্যাস তাতেই সৃষ্টি হয় সম্যসা।তার স্ত্রী সন্ধ্যা সাহা তার গুণধর স্বামীর কথা সবাইকে জানিয়ে দেয়,আর মোবাইল টি তার কাছে রেখে দেয়।
ঘটনার সূত্র ধরে জানা গেছে,অবৈধ সম্পর্কের কথা জানাজানি হতেই চিরঞ্জিত তার স্ত্রীর উপর অত্যাচার শুরু করে।তাদের একটি বছর দুই এর সন্তান ও রয়েছে।সন্ধাদেবী তার গুণধর স্বামী শশুর শাশুড়ীর অত্যাচার থেকে বাঁচতে কোনোক্রমে বাবার বাড়িতে চলে যায়।

সেখানেও পিছু ছাড়ে না তার শশুরবাড়ির লোকজন।সেখানে গিয়ে অভিযুক্ত চিরঞ্জিত ধীবর ও তার বাবা তপন ধীবর সন্ধ্যাদেবীর বাবার বাড়িতে গিয়ে অত্যাচার চালায় ও পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে।সন্ধাদেবী চিৎকার শুরু করলে এলাকার মানুষ ছুটে এসে সন্ধাদেবীকে উদ্ধার করে।পরে এলাকার মানুষ নিকটবর্তী ফরিদপুর থানায় খবর দেয়।পরে পুলিশ এসে অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করে।সন্ধাদেবীর বাবারবাড়ির লোক শশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। অভিযুক্ত চিরঞ্জিত ধীবরকে মঙ্গলবার দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।অভিযুক্ত ওই বিজেপি নেতার বধূ নির্যাতনের ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। তাকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।