সনাতন গরাই, দুর্গাপুর :- দুর্গাপুরের সাগড়ভাঙ্গায় এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য। মৃতা গৃহবধূর নাম রুপা সরকার(২৪)।রুপার বাপের বাড়ির লোকজন কোকোভেন থানায় রুপার স্বামী সব্যসচী সরকার ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ করেছেন।

জানা গেছে, সাত বছর আগে বীরভূমের খুটজ্ঞা গ্রামের রুপার সাথে সব্যসাচী সরকারের বিয়ে হয় সাগড়ভাঙ্গায় ঘোষ মার্কেট এলাকায়। রুপার বাবার অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই রুপার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন রুপার উপর অত্যাচার করত। রুপার মা জানান, আমার মেয়ের স্বামী সব্যসাচী মদ খেয়ে আসতো তার প্রতিবাদ করার ফলে মার খেতে হতো মেয়েকে। রুপার মা আরও জানান, রবিবার ফোন করে বলে মা আবার মদ খেয়ে এসে চরম অশান্তি শুরু করেছে সব্যসচী।এটাই মেয়ের শেষ ফোন ছিলো। তারপর থেকে মেয়ের খবর না পেয়ে উৎকণ্ঠা হয়ে পড়ে রুপার মা। তারপর এক অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে এবং বলে রুপা মারা গেছে। রুপার বাপের বাড়ির লোকজন জানান, স্বামী সব্যসচী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে রুপাকে খুন করেছে। মেয়ে মরে যাওয়ার পর ও ফোন করেনি তারা। রুপার শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানান, রূপা অনেকদিন থেকেই শারীরিক ভাবে অসুস্থ যার জেরেই তার মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার সকালে কোকোভেন থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়।বাপের বাড়ির অভিযোগের ভিত্তিতে রুপার স্বামী সব্যসচী সরকারকে গ্রেফতার করেছে কোকোভেন থানার পুলিশ। খুন নাকি শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু! তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।