দুর্গাপুজোয় চিটফান্ডের টাকা ছিল। তাই, সেই সব ক্লাবকে আয়কর নোটিস ধরানো হয়েছে : দিলীপ ঘোষ

0
Advertisement

সংবাদদাতা, বারাসত :- টাকা কামাতে পারছে না বলে কাউন্সলররা তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসেও আবার তারা ফিরে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার বারাসতে সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচিতে এসে এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। লোকসভা নির্বাচনে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর ও বনগাঁ লোকসভা আসন জয়লাভের পর বহু পুরসভার হাতবদল হয়। তৃনমূল থেকে দলে দলে কাউন্সিলররা বিজেপিতে যোগদান করেন। কিন্তু মাস ঘুরতেই সেই দলত্যাগীদের বড় অংশ আবার তৃণমূলেই ফিরে যান। সে ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ বলেন, ‘যে কাউন্সিলররা তৃণমূল থেকে আমাদের দলে এসেছিলেন, তাঁরা এখানে টাকা কামাতে পারছেন না। ক্ষমতাও ভোগ করতে পারছেন না। তাই তারা ক্ষমতা ও টাকা কামানোর জন্য আবার তৃণমূলে ফিরে যাচ্ছেন।’ তারপরই মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদের মন্তব্য, ‘বিজেপিতে আসার জন্য লাইন লেগে গিয়েছে। আমরা এখন থেকে বেছে বেছে দলে নেব।’

দুর্গাপুজোয় আয়কর নোটিস ধরানো প্রসঙ্গে দিলীপ এদিন বলেন, ‘দুর্গাপুজোয় চিটফান্ডের টাকা ছিল। তাই, সেই সব ক্লাবকে আয়কর নোটিস ধরানো হয়েছে। কিন্তু পুজোয় কোনও বাধা দেওয়া হবে না। আয়কর নোটিস নিয়ে সব চেয়ে বেশি চিৎকার করছেন দিদি। তার অর্থ ডাল মে কুছ কি কালা হ্যায়?’

২০২১ এর আগে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে বিজেপি ফেলতে পারবে কি না, সে প্রশ্নে নিরুত্তর দিলীপ। তার পালটা দাবি, ‘শাসক দল ভয় পেয়েছে। তাই পুরসভা ও কলেজের ছাত্র সংসদ ভোট করাচ্ছে না। যেখানেই ভোট হচ্ছে, সেখানেই বিজেপি জিতছে। আমাদের শেখানো পদ্ধতি প্রশান্ত কিশোর ওদের শেখাচ্ছে। তাতে কোনও লাভ হবে না। এক গাছের ছাল আরেক গাছে লাগে না।’

এদিন দিলীপ ঘোষের সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন বাগদার বিধায়ক দুলাল বর, বিজেপির বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শংকর চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্যরা। সেখানে কর্মীদের সঙ্গে দিলীপ একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকও করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one × five =