সংবাদদাতা, বসিরহাটঃ- ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর থেকেই একের পর এক জনমুখী কর্মকাণ্ডে বিধায়ক ডাক্তারবাবুর নাম ছড়িয়ে পরেছে বসিরহাট জুড়ে। এবার বসিরহাটের গণ্ডি ছাড়িয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের দিকে চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতি ঘটাতে চান । তাই এবার বসিরহাটে চালু হ’ল দুয়ারে দুয়ারে চিকিৎসা শিবির।

করোনার আবহে জেনারেল চিকিৎসা ব্যবস্থা খুব কঠিন হয়ে পরেছে। কোন ডাক্তার রোগীকে সেই ভাবে দেখছেন না এবং চিকিৎসক সেইভাবে এলাকায় পাওয়া না যাওয়ায় এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

সেই দিকে লক্ষ্য রেখে এবার বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক ডাঃ সপ্তর্ষী ব্যানার্জী নিজেই নতুন পদ্ধতি চালু করলেন। যার নাম দিলেন দুয়ারে দুয়ারে চিকিৎসা। এলাকায় আজ থেকে বিধায়ক উদ্যোগে মাসে দুদিন দুয়ারে দুয়ারে চিকিৎসা পদ্ধতি চালু হল। যাতে গরিব মানুষগুলো ভালো চিকিৎসা পায়।

এদিন বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভার টাকি পুরসভার ৮নং ওয়ার্ডে এই পরিষেবার শুভ উদ্বোধন হয়। এখানে অসহায় মানুষ বিশেষ করে যারা চিকিৎসকের অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন, তাদের জন্য চক্ষু পরীক্ষা শিবির, জেনারেল ফিজিশিয়ান, ইসিজি করোনা পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়।

এদিনেই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাটের দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক ডাঃ সপ্তর্ষী ব্যানার্জী, টাকি পুরসভার পুরপ্রধান সোমনাথ মুখোপাধ্যায় ও একাধিক নেতৃত্ব। বিধায়ক নিজে অসহায় মানুষদের চোখ পরীক্ষা করেন এবং তাদের চশমার ব্যবস্থা করে দেন।

পাশাপাশি তিনি বলেন, আমার মনের ইচ্ছা ছিল যে বসিরহাটকে চিকিৎসা ব্যবস্থা সুন্দর করে গড়ে তুলবো। আমি বিধায়ক হলেও রাজনীতি অভিজ্ঞতা আমার তেমনভাবে না থাকলেও মুখ্যমন্ত্রীকে ভালবেসে আমাকে এখান থেকেই জয়ী করিয়েছেন। আমি বুঝি ডাক্তার হিসেবে মানুষকে কিভাবে সুচিকিৎসা দিতে হয়। প্রত্যেক পুরসভা এলাকায় দুয়ারে দুয়ারে চিকিৎসা পদ্ধতি চালু করা হবে। পাশাপাশি সপ্তাহে দুই দিন বসিরহাট ১নং ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতে এই দুয়ারে দুয়ারে চিকিৎসা পদ্ধতি চালু করার চেষ্টা করবো। যাতে মানুষ চিকিৎসার অভাবে কষ্ট না পায়। আজ ছিল তারই একটা ক্ষুদ্র প্রয়াস। আপনারা আমাকে সাহায্য করলে দেখবেন বসিরহাট সুন্দরভাবে চিকিৎসার পরিষেবা গড়ে উঠবে ।

চিকিৎসা নিতে আসা বছর ষাটের আমেনা বিবি বললেন, গ্রাম্য ডাক্তার ছাড়া বসিরহাটের অন্য কোন ডাক্তার সব সময় চিকিৎসা করতে পারিনা। আর জ্বর হলে তো কথাই নেই কোন চিকিৎসক ভয়ে দেখতে চায় না। আজ খবর পেয়ে এখানে এসেছি। এখানে এসে দেখলাম ইসিজি করা হচ্ছে, চক্ষু পরীক্ষা করা হচ্ছে বিনা পয়সায় ,ওষুধ দেওয়া থেকে শুরু করে সমস্ত বিভাগ রয়েছে। বড় বড় ডাক্তাররা এসেছেন আমি খুবই খুশি বিধায়কের এই কাজে।