সুজয় মন্ডল, বসিরহাট :- বসিরহাট মহকুমার হাসনাবাদ ব্লকের শিমুলিয়া গ্রামের অন্তর্গত এবং খরমপুর হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। নিজের বিয়ে নিজেই আটকালো হাসনাবাদ থানায় গিয়ে। কন্যাশ্রী প্রকল্পের নাবালিকাকে পরিকল্পনা করে বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। তার অমতে বাড়ির লোক জনেরা, বরুনহাট পাএর বাড়ির নাবালিকার পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওই নাবালিকাকে বিয়ে ঠিক করেছিল নাবালিকার পরিবার থেকে। সেই খবর চাইল্ড লাইনে এবং হাসনাবাদ বিডিও অফিসের খবর আসে। সেই খবর পাওয়া মাত্রই হাসনাবাদের পুলিশের তরফ থেকে এবং হাসনাবাদ ব্লকের বিডিও-র নির্দেশে কন্যাশ্রী প্রকল্পের দায়িত্ব থাকা প্রণব মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি টিম পৌঁছে যায় ওই নাবালিকার বাড়িতে। এরপর নাবালিকার পরিবারের সাথে কথা বলেন এবং হাসনাবাদ বিডিও অফিসের তরফ থেকে ওই নাবালিকার পরিবারকে কন্যাশ্রী প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধার কথা বলা হয়।
পরবর্তীকালে সময় ওই নাবালিকার পিতা মুচলেকা দিয়ে আঠারো বছর বয়স হলে তার কন্যাকে বিবাহ দেবেন বলে অঙ্গীকারবদ্ধ হন। এবং হাসনাবাদের বিডিও অরিন্দম মুখার্জী ওই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং পরিবারের অসহায় ও দারিদ্র্যের কথা শুনে বিডিও অরিন্দম বাবু ওই নাবালিকার ঠাম্মার বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন হাসনাবাদের বিডি অফিসের তরফ থেকে।