অলোক আচার্য, নব বারাকপুরঃ- সম্প্রতি প্র‍য়াত হয়েছেন নব বারাকপুরের প্রবীণ নাগরিক ও বিশিষ্ট সমাজসেবী জ্যোতি প্রকাশ মিত্র। মিত্র পরিবারের উদ্যোগে শনিবার বিকেলে কৃষ্টি প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হল স্মৃতি চারণ সভা। স্মরণ অনুষ্ঠানে শুরুতে উপস্থিত সাংসদ বিধায়ক ও মন্ত্রী সহ বিশিষ্ট গুণীজনেরা জ্যোতিপ্রকাশ মিত্রের প্রতিচ্ছবিতে মালা ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। উদ্বোধনী নজরুল গীতি পরিবেশন করেন ডাঃ প্রাপ্তি মিত্র।

এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, রথীন ঘোষ, সাংসদ অধ্যাপক সৌগত রায়, সাংসদ দোলা সেন, নববারাকপুর পুরসভার মুখ্য প্রশাসক প্রবীর সাহা, জ্যোতিপ্রকাশ মিত্রের সুযোগ্য পুত্র ইন্ডিয়ান আর্ট কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশিস মিত্র সহ নব বারাকপুরের সমস্ত ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটরগণ সহ বিশিষ্ট গুণীজনেরা। স্মৃতি চারণ করেন সাংসদ থেকে মন্ত্রীরা। নববারাকপুরের স্থাপনে রুপকার কর্মবীর হরিপদ বিশ্বাসের সমসাময়িক জ্যোতিপ্রকাশ মিত্রের কর্মজীবনের বিভিন্ন মানবিক দিক তুলে ধরেন।

এছাড়া ও বক্তব্য রাখেন মিত্র পরিবারের পক্ষ থেকে সুযোগ্য পুত্র দেবাশিস মিত্র, গৌতম মিত্র, মধ্যমগ্রাম শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুভাষ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্যিকার পক্ষে কবি মেঘমালা বসু চৌধুরী, বিবেকানন্দ সংস্কৃতি পরিষদ, মজলিস, কিশোর সংঘের থেকে ইঞ্জিনিয়ার রাজর্ষি বসু। তিনি মালপত্র পাঠ করে শোনান। সকলের বক্তব্যের মাধ্যমে প্র‍য়াত জ্যোতি প্রকাশ মিত্রের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

এদিন শোকাহত মিত্র পরিবারের পক্ষ থেকে পুর এলাকায় অসহায় দুঃস্থ বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের প্রীতি কম্বল বস্ত্র উপহার প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য বাংলাদেশ, বাগেরহাট, খুলনার করবী রাখালগাছি তে ১৯৩১ সালে জন্ম। পিতা সুরেশচন্দ্র, মাতা মালতীবালা। নববারাকপুর পুরসভার প্রথম পুর বোর্ডের সদস্য। শিক্ষা ইন্টারমিডিয়েট মান। চাকুরী মালটি ন্যাশনাল কোম্পানি। ১৯৭০ থেকে তৈল ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত। সাহিত্যানুরাগী, সাহিত্যিকা’র অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। শ্রীরামকৃষ্ণ ট্রাস্টের সভাপতি ।এদিন পাঁচ শতাধিক অসহায় মানুষের হাতে কম্বল প্রীতি বস্ত্র উপহার এবং মিষ্টি তুলে দেওয়া হয় মিত্র পরিবারের পক্ষ থেকে।