অলোক আচার্য, ভাঙরঃ- ছোটজাগুলিয়া নূতন সূর্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে রবিবার সকালে কবিপ্রণাম অনুষ্ঠান করল দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ভাঙড় ব্লকের বামনঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের যোতভীম শীতলা মন্দির প্রাঙ্গণে। মুক্তাঙ্গন খোলা আকাশের নিচে সংস্থার কচিকাচারা নাচ গান কবিতায় বিশ্বকবিকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান এদিন।

নীলাদ্রি শেখর নাথের কন্ঠে রবীন্দ্র সংগীত আনন্দ ধারা বহিছে ভুবনে… জগতে আনন্দে যঞ্জে… আমরা সবাই রাজা… পরিবেশন ছিল বেশ সাবলীল। ছোট ছেলে মেয়েদের কন্ঠে রবীন্দ্র কবিতা প্রশ্ন, সমব্যাথী, হাট্টি মাটিম টিম, সার্থক জনম আমার, আমরা চাষ করি, বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর পরিবেশন মোটামুটি। ভিন্ন স্বাদের বসন্তের রবীন্দ্র নৃত‍্য দর্শকদের হাত তালি কুড়িয়ে নেয় এদিন। শুরুতে রবীন্দ্র প্রতিচ্ছবিতে মালা ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিশিষ্ট জনেরা ও কচিকাচারা।

এদিন মঞ্চে বিশিষ্ট গুণীজনেরা উপস্থিত থেকে ছোট শিশু কিশোরদের কবিপ্রণামে তাদের প্রতিভা বিকশিত করতে উৎসাহিত করেন। উপস্থিত ছিলেন মেডিক্যাল ব্যাঙ্কের কর্ণধার ডি আশীষ, সমাজসেবী শ্যামা দাস, চিত্রশিল্পী মলয় দাস, সংগীত শিল্পী শীলা সিকদার, সংস্থার সভাপতি পিয়ালি সিংহ, সংগঠক পরিমল মন্ডল, পীয়াশু আগরওয়াল, অজয় দেশাই, কৌশিক ঘটক প্রমুখ বিশিষ্ট জনেরা। কচিকাচাদের খাবারের প্যাকেট এবং শিক্ষণ সামগ্রী বিলি করা হয় এদিন।

সংস্থার সম্পাদক কবিতা নাথ জানান, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মদিবসে কবিপ্রণাম অনুষ্ঠানে ছোট শিশু কিশোরদের প্রতিভা নতুন সূর্যের মত এগিয়ে যাবে। মূল লক্ষ্য ভালো মানুষ তৈরি করা। অসহায় ছোট ছেলে মেয়েদের সুস্থ সংস্কৃতির মধ্যে দিয়ে তাদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। নতুন সূর্যের আলো ছোট শিশু কিশোররা মেলে ধরুক সমাজে। অভিভাবক ও স্থানীয় গ্রামবাসীদের আন্তরিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো এদিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন বাচিক শিল্পী মোনালিসা কর।