সংবাদদাতা, বসিরহাটঃ- বেশ কিছুদিন ধরেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ বেড়েছে। জানা যায়, করোনা মহামারীর চলাকালীন সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে কখনো গরু, সোনা-রূপো, মাদক সহ পশুপাখি পাচার হতে শুরু হয়েছে বিএসএফের কড়া নজরদারি সত্ত্বেও। সেই সাথে সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে জঙ্গী অনুপ্রবেশ আশঙ্কা প্রকাশ করে স্থল ও জল সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ জওয়ানরা। কিন্তু তার সত্ত্বেও দিনের-পর-দিন চোরাচালান অনুপ্রবেশ বেড়েই চলেছে সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হেলিকপ্টারে করে টাকির এরিয়ান ক্লাবের মাঠে আসেন বিএসএফের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এরপর সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফের আধিকারিকদের নিয়ে নিরাপত্তার বিষয় আলোচনায় বসেন। ইতিমধ্যেই নদীতে তিনটি অত্যাধুনিক জলযান ব্যবহার শুরু হয়েছে। সম্পত্তি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ঘোজাডাঙ্গা, সুন্দরবনের পারঘুমটি এই সমস্ত এলাকা থেকে বহু অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ। এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আরো নজরদারি বাড়াতে বিএসএফ আধিকারিকরা টাকিতে আসেন বলে জানা যায়।