সংবাদদাতা, মধ্যমগ্রাম :- চলে গেলেন বিশিষ্ট সর্প বিশেষজ্ঞ দীপক মিত্র।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল বাহাত্তর বছর। জীবন কালের অর্ধেকের বেশি সময় তার কেটেছে বন্য প্রাণীদের সাথে। কাজ করেছেন সাপ সহ বিভিন্ন পশু পাখির জীবনের উপর। তার অসামান্য কাজের জন্য পেয়েছেন নানান পুরস্কার এর মধ্যে অন্যতম সর্প মিত্র, সর্প বন্ধু সহ একাধিক। তিনি ওয়াইল্ড লাইফ এর স্টেট বোর্ড এর সদস্য হিসাবে সুনামের সাথে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। সাপ যে মানুষের শত্রু নয় বন্ধু তা তিনি তার কর্ম জীবনের মধ্যে দিয়ে মানুষের কাছে প্রতিষ্টা করেছিলেন। সাপের কামড় নিয়ে মানুষের মধ্যে যে কুসংস্কার ছিল তা দূর করতে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ চালিয়ে গেছেন। সাপের বিষ নিয়ে জীবনদায়ী ঔষধ তৈরির ক্ষেত্রেও তার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। দীর্ঘ বাহাত্তর বছরের জীবনে কাজ করার সাথে সাথে তৈরী করেছিলেন অসংখ ছাত্র ছাত্রীদের। যারা এখনো সুনামের সাথে কাজ করে চলেছেন বিভিন্ন জায়গায়। লিখেছেন বন্য প্রাণীদের উপর অসংখ বই। শেষ বয়সেও একটি বই লেখা শুরু করলেও শেষ করতে পারলেন না তিনি। এই আক্ষেপ রয়েগেলো তার পরিবার ও অনুরাগীদের মধ্যে। অশ্রুসিক্ত চোখে তার একমাত্র সন্তান দেবাঞ্জন মিত্র বলেন, বাবার এই ফেলে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করবো আমি। রবিবার তার মৃত্যুর খবর পেয়ে মধ্যমগ্রামের বাদুতে তার বাসভবনে ভিড় জমায় তার ছাত্র ছাত্রী এবং বন্য প্রাণীদের নিয়ে কাজ করা অসংখ মানুষ, ও পরিবারের সকল সদস্যরা। দীপক মিত্র রেখে গেলেন তার একমাত্র পুত্রসন্তান দেবাঞ্জন মিত্র ও তার স্ত্রী মাধুরী মিত্রকে। পরিবার সূত্রে জানাযায় তার শেষ কৃত্ত সম্পর্ণ হয় রতন বাবু মহাশ্মশান ঘাটে।